ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান যেসব কারণে এই গরমে দই খাওয়া জরুরি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী তেল ছাড়াই ১২০ কিমি. গেল রতনের ‘বাইক’ এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া হবিগঞ্জ মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৫ সিলেট জৈন্তাপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, আটক ১ হবিগঞ্জ বনবিভাগের অভিযানে পাচার করা আকাশমনি কাঠ জব্দ সিলেট রবিবার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালালে ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না-অধরা হোটেল মালিকরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :

সিলেট পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালালে ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না-অধরা হোটেল মালিকরা। আবাসিক হোটেলগুলোতে গড়ে উঠেছে ‘মিনি পতিতালয়।কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না নগরজুড়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা। উঠতি বয়সী তরুণী ও নারীদের দিয়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনার দায়ে বেশীর ভাগ হোটেলে অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হোটেল তরুণ-তরুণীসহ হোটেল ম্যানেজারকে আটক করলেও মালিকরা থেকে যাচ্ছেন অধরা। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, হোটেল মালিকদের আইনের আওতায় না আনলে এমন কর্মকাণ্ড থামবে না।

জানা গেছে, বাসষ্টেন্ড মহানগরের কদমতলী সাকিনস্থ হোটেল সাগর এন্ড রেস্ট হাউজ, বন্দর কিনব্রিজের সামনে সুরমা মার্কেট মেঘনা হোটেল, তালতলার হোটেল সুফিয়ায় (আবাসিক), দক্ষিণ সুরমার কদমতলি এলাকার কয়েস আবাসিক হোটেল, ওসমানী হাসপাতাল এলাকার হোটেল বাধন আবাসিক, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তিতাস অবাসিক হোটেলসহ অসংখ্য হোটেলে নিয়মিত চলে অবৈধ অসামাজিক কর্মকাণ্ড। পুলিশের নিয়মিত অভিযানে এসব হোটেল থেকে গ্রেফতারও হচ্ছেন নারী-পুরুষ। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব হোটেলের মালিকরা থেকে যাচ্ছেন আড়ালে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বশীলরা বলছেন, নগরীর যেসব হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে সেখান থেকে জড়িতদের আটক করা হচ্ছে। পাশাপাশি হোটেল মালিকদের সর্তক করে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় ব্যবস্থা নেওয়াও হচ্ছে। হোটেলে অসামাজিক কাজ বন্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহানগরীর আবাসিক হোটেলগুলো থেকে অসামাজিক কার্যকলাপ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। এছাড়াও গোয়েন্দা পুলিশও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। আটককৃতদের প্রত্যাককে মামলা দায়ের করে আদালতেও প্রেরণ করা হচ্ছে। আর হোটেল মালিকদের কড়াভাবে সর্তক করে দেওয়া হচ্ছে। তারা এসব কাজ বন্ধ না করলে প্রয়োজনে হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে।

গত ১৫ দিনের ব্যবধানে নগরীর বিভিন্ন হোটেলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে অন্তত ৩৭ জন নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃতদের বেশীরভাগ ১৮ থেকে ২৬ বছরের। সর্বশেষ রবিবার (৩ মার্চ) রাত নয়টার দিকে মহানগরের কদমতলী সাকিনস্থ হোটেল সাগর এন্ড রেস্ট হাউজ থেকে ১২ তরুণ-তরুণীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে শনিবার (২মার্চ) রাত ৮ টার দিকে সিলেট মহানগরের তালতলার হোটেল সুফিয়ায় (আবাসিক) অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার দায়ে ৭ যুবক-যুবতীকে আটক করে সিলেট মহানগর ডিবি পুলিশ।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিলেটভিউকে বলেন, অসামাজিক কর্মকাণ্ড রোধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ নিয়ে কাজ করছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও অভিযান পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে নগরীর সবগুলো হোটেল মালিকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। যাতে কেউ এ ধরনের কাজে জড়িত না থাকেন। এরপরও বন্ধ না করায় আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। এসব হোটেলের মালিক পক্ষের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালালে ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না-অধরা হোটেল মালিকরা

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :

সিলেট পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালালে ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না-অধরা হোটেল মালিকরা। আবাসিক হোটেলগুলোতে গড়ে উঠেছে ‘মিনি পতিতালয়।কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না নগরজুড়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা। উঠতি বয়সী তরুণী ও নারীদের দিয়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনার দায়ে বেশীর ভাগ হোটেলে অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হোটেল তরুণ-তরুণীসহ হোটেল ম্যানেজারকে আটক করলেও মালিকরা থেকে যাচ্ছেন অধরা। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, হোটেল মালিকদের আইনের আওতায় না আনলে এমন কর্মকাণ্ড থামবে না।

জানা গেছে, বাসষ্টেন্ড মহানগরের কদমতলী সাকিনস্থ হোটেল সাগর এন্ড রেস্ট হাউজ, বন্দর কিনব্রিজের সামনে সুরমা মার্কেট মেঘনা হোটেল, তালতলার হোটেল সুফিয়ায় (আবাসিক), দক্ষিণ সুরমার কদমতলি এলাকার কয়েস আবাসিক হোটেল, ওসমানী হাসপাতাল এলাকার হোটেল বাধন আবাসিক, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তিতাস অবাসিক হোটেলসহ অসংখ্য হোটেলে নিয়মিত চলে অবৈধ অসামাজিক কর্মকাণ্ড। পুলিশের নিয়মিত অভিযানে এসব হোটেল থেকে গ্রেফতারও হচ্ছেন নারী-পুরুষ। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব হোটেলের মালিকরা থেকে যাচ্ছেন আড়ালে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বশীলরা বলছেন, নগরীর যেসব হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে সেখান থেকে জড়িতদের আটক করা হচ্ছে। পাশাপাশি হোটেল মালিকদের সর্তক করে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় ব্যবস্থা নেওয়াও হচ্ছে। হোটেলে অসামাজিক কাজ বন্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহানগরীর আবাসিক হোটেলগুলো থেকে অসামাজিক কার্যকলাপ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। এছাড়াও গোয়েন্দা পুলিশও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। আটককৃতদের প্রত্যাককে মামলা দায়ের করে আদালতেও প্রেরণ করা হচ্ছে। আর হোটেল মালিকদের কড়াভাবে সর্তক করে দেওয়া হচ্ছে। তারা এসব কাজ বন্ধ না করলে প্রয়োজনে হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে।

গত ১৫ দিনের ব্যবধানে নগরীর বিভিন্ন হোটেলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে অন্তত ৩৭ জন নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃতদের বেশীরভাগ ১৮ থেকে ২৬ বছরের। সর্বশেষ রবিবার (৩ মার্চ) রাত নয়টার দিকে মহানগরের কদমতলী সাকিনস্থ হোটেল সাগর এন্ড রেস্ট হাউজ থেকে ১২ তরুণ-তরুণীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে শনিবার (২মার্চ) রাত ৮ টার দিকে সিলেট মহানগরের তালতলার হোটেল সুফিয়ায় (আবাসিক) অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার দায়ে ৭ যুবক-যুবতীকে আটক করে সিলেট মহানগর ডিবি পুলিশ।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিলেটভিউকে বলেন, অসামাজিক কর্মকাণ্ড রোধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ নিয়ে কাজ করছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও অভিযান পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে নগরীর সবগুলো হোটেল মালিকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। যাতে কেউ এ ধরনের কাজে জড়িত না থাকেন। এরপরও বন্ধ না করায় আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। এসব হোটেলের মালিক পক্ষের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।