সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো ভারত নিরাপদ আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে- সিলেটে গৃহায়ণ মন্ত্রী সিলেটে পরকীয়া’ নিয়ে কথার জেরে ব্যবসায়ী খুন সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ আলোর দিশারী হয়ে এসেছিলেনহযরত মুহাম্মদ (সা.) আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক সিলেটের বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের অভিযানে ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ হবিগঞ্জ সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল (ডিবি) কর্তৃক টাকা ও মোবাইল উদ্ধার সিলেট মঙ্গলবার আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী– সিলেট ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৯ মেয়েদের সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর উদ্যোগ

সিসিককে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবদন:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সিলেটের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিসিককে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জনসংখ্যার পরিমাণ নির্ণয় করে নগরবাসীর জন্য রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য নাগরিক অবকাঠামো বৃদ্ধির মাধ্যমে আধুনিক শহরে রূপান্তর করতে হবে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সভা কক্ষে ১7 ফেব্রুয়ারি শনিবার সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম। এসময় জেলা প্রশাসন, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশন, এলজিইডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, শাবিপ্রবি’র অধ্যাপক এবং সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ভবন নির্মাণে রাজউকের নীতিমালা অনুসরণ, সুরমা নদীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা বৃদ্ধিকরণ, ময়লা আবর্জনার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও তিনি পুকুর ভরাট করে বাড়ি বা অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করা, ড্রেনের তলদেশ পাকাকরণ থেকে বিরত থাকা এবং সর্বোপরি জলাবদ্ধতা নিরসনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তৃতায় মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের সমস্যা নির্ণয় এবং সমাধান করতে সিসিক সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। সিলেটকে আধুনিক, ক্লিন ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারিসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

পর্যালোচনা সভার শুরুতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চলমান চারটি প্রকল্প, একটি নতুন অনুমোদিত প্রকল্প ও স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিলকৃত সাতটি প্রকল্প বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এ সময় প্রকল্পসমূহের ব্যয়, মেয়াদকাল ও অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিসিককে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবদন:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সিলেটের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিসিককে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জনসংখ্যার পরিমাণ নির্ণয় করে নগরবাসীর জন্য রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য নাগরিক অবকাঠামো বৃদ্ধির মাধ্যমে আধুনিক শহরে রূপান্তর করতে হবে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সভা কক্ষে ১7 ফেব্রুয়ারি শনিবার সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম। এসময় জেলা প্রশাসন, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশন, এলজিইডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, শাবিপ্রবি’র অধ্যাপক এবং সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ভবন নির্মাণে রাজউকের নীতিমালা অনুসরণ, সুরমা নদীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা বৃদ্ধিকরণ, ময়লা আবর্জনার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও তিনি পুকুর ভরাট করে বাড়ি বা অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করা, ড্রেনের তলদেশ পাকাকরণ থেকে বিরত থাকা এবং সর্বোপরি জলাবদ্ধতা নিরসনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তৃতায় মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের সমস্যা নির্ণয় এবং সমাধান করতে সিসিক সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। সিলেটকে আধুনিক, ক্লিন ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারিসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

পর্যালোচনা সভার শুরুতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চলমান চারটি প্রকল্প, একটি নতুন অনুমোদিত প্রকল্প ও স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিলকৃত সাতটি প্রকল্প বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এ সময় প্রকল্পসমূহের ব্যয়, মেয়াদকাল ও অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।