সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে: সিলেটে রুহুল কবির রিজভী সিলেট সীমান্তে উদ্ধার এয়ারগান-ওয়াকিসেটসহ প্রায় ২১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক মালিক- শ্রমিকদের আনন্দ মিছিল সিলেট লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে আটক ৫ সিলেট গোলাপগঞ্জে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সিলেট ১৫ লাখ টাকার ‘চোরাই পণ্য’ জব্দ সিলেট পৌঁছাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সিলেটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেছেন দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত শক্তি উস্কানি দিচ্ছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ পুলিশের পৃথক অভিযানে ভারতীয় পণ্য ভারতীয় ঔষধসহ গ্রেফতার ২ সিলেটে গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে ধ্বংস ২০ বোমা মেশিন, ৩০ নৌকা

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র শবে বরাত পালিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশের মতো সিলেটেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মঙ্গলবার রাতে পালিত হয়েছে পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন। এশার নামাজের পর সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। ফজর পর্যন্ত ছিল মসজিদগুলো মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ভরপুর।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেটের শাহজালাল (র:) মাজার এর কবরস্থান, মানিক পীর (র:) কবরস্থানসহ বিভিন্ন কবরস্থানে দিনভর ছিল মানুষের ভিড়। রাতেও স্বজনরা প্রিয়জনের কবর জিয়ারতে ছুটে যান। অন্যান্য বছরের মতো শবে বরাত উপলক্ষে বিকেল থেকে কবর জিয়ারতে আসতে থাকেন মানুষ। তবে সন্ধ্যার পর বাড়তে থাকে ভিড়। রাত যত গভীর হয় মানুষের ঢল বাড়ে। এ সময় নিবিষ্ট মনে স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ কোরআন তেলাওয়াত করেন, আবার কেউবা অঝোরে কাঁদেন, কেউ দুই হাত তুলে কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে থাকা প্রিয় মানুষটির জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করে।

স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশের মতো সিলেটেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মঙ্গলবার রাতে পালিত হয়েছে পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন। এশার নামাজের পর সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। ফজর পর্যন্ত ছিল মসজিদগুলো মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ভরপুর।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেটের শাহজালাল (র:) মাজার এর কবরস্থান, মানিক পীর (র:) কবরস্থানসহ বিভিন্ন কবরস্থানে দিনভর ছিল মানুষের ভিড়। রাতেও স্বজনরা প্রিয়জনের কবর জিয়ারতে ছুটে যান। অন্যান্য বছরের মতো শবে বরাত উপলক্ষে বিকেল থেকে কবর জিয়ারতে আসতে থাকেন মানুষ। তবে সন্ধ্যার পর বাড়তে থাকে ভিড়। রাত যত গভীর হয় মানুষের ঢল বাড়ে। এ সময় নিবিষ্ট মনে স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ কোরআন তেলাওয়াত করেন, আবার কেউবা অঝোরে কাঁদেন, কেউ দুই হাত তুলে কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে থাকা প্রিয় মানুষটির জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন।
এছাড়া মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া-খায়েরে শামিল হন। প্রায় প্রতিটি মুসলিম ঘরে নারী ও শিশুরা কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। এ উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ মঙ্গলবার ও বুধবার নফল রোজাও পালন করেছেন। বাসাবাড়ি এবং মসজিদে মসজিদে রাতভর চলে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি।আরবি শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাতকে মুক্তির রজনী বলা হয়। এ রাতকে ‘লাইলাতুল বরাত’ বা ‘লাইলাতুম মিন নিসফি শা’বান’ও বলা হয়। রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। সেজন্য রাত জেগে মহিমান্বিত এই রাত মহান আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

এছাড়া মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া-খায়েরে শামিল হন। প্রায় প্রতিটি মুসলিম ঘরে নারী ও শিশুরা কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। এ উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ মঙ্গলবার ও বুধবার নফল রোজাও পালন করেছেন। বাসাবাড়ি এবং মসজিদে মসজিদে রাতভর চলে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি। শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাতকে মুক্তির রজনী বলা হয়। এ রাতকে ‘লাইলাতুল বরাত’ বা ‘লাইলাতুম মিন নিসফি শা’বান’ও বলা হয়। রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। সেজন্য রাত জেগে মহিমান্বিত এই রাত মহান আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র শবে বরাত পালিত

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশের মতো সিলেটেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মঙ্গলবার রাতে পালিত হয়েছে পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন। এশার নামাজের পর সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। ফজর পর্যন্ত ছিল মসজিদগুলো মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ভরপুর।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেটের শাহজালাল (র:) মাজার এর কবরস্থান, মানিক পীর (র:) কবরস্থানসহ বিভিন্ন কবরস্থানে দিনভর ছিল মানুষের ভিড়। রাতেও স্বজনরা প্রিয়জনের কবর জিয়ারতে ছুটে যান। অন্যান্য বছরের মতো শবে বরাত উপলক্ষে বিকেল থেকে কবর জিয়ারতে আসতে থাকেন মানুষ। তবে সন্ধ্যার পর বাড়তে থাকে ভিড়। রাত যত গভীর হয় মানুষের ঢল বাড়ে। এ সময় নিবিষ্ট মনে স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ কোরআন তেলাওয়াত করেন, আবার কেউবা অঝোরে কাঁদেন, কেউ দুই হাত তুলে কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে থাকা প্রিয় মানুষটির জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করে।

স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশের মতো সিলেটেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মঙ্গলবার রাতে পালিত হয়েছে পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন। এশার নামাজের পর সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। ফজর পর্যন্ত ছিল মসজিদগুলো মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ভরপুর।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেটের শাহজালাল (র:) মাজার এর কবরস্থান, মানিক পীর (র:) কবরস্থানসহ বিভিন্ন কবরস্থানে দিনভর ছিল মানুষের ভিড়। রাতেও স্বজনরা প্রিয়জনের কবর জিয়ারতে ছুটে যান। অন্যান্য বছরের মতো শবে বরাত উপলক্ষে বিকেল থেকে কবর জিয়ারতে আসতে থাকেন মানুষ। তবে সন্ধ্যার পর বাড়তে থাকে ভিড়। রাত যত গভীর হয় মানুষের ঢল বাড়ে। এ সময় নিবিষ্ট মনে স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ কোরআন তেলাওয়াত করেন, আবার কেউবা অঝোরে কাঁদেন, কেউ দুই হাত তুলে কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে থাকা প্রিয় মানুষটির জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন।
এছাড়া মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া-খায়েরে শামিল হন। প্রায় প্রতিটি মুসলিম ঘরে নারী ও শিশুরা কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। এ উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ মঙ্গলবার ও বুধবার নফল রোজাও পালন করেছেন। বাসাবাড়ি এবং মসজিদে মসজিদে রাতভর চলে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি।আরবি শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাতকে মুক্তির রজনী বলা হয়। এ রাতকে ‘লাইলাতুল বরাত’ বা ‘লাইলাতুম মিন নিসফি শা’বান’ও বলা হয়। রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। সেজন্য রাত জেগে মহিমান্বিত এই রাত মহান আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

এছাড়া মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া-খায়েরে শামিল হন। প্রায় প্রতিটি মুসলিম ঘরে নারী ও শিশুরা কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। এ উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ মঙ্গলবার ও বুধবার নফল রোজাও পালন করেছেন। বাসাবাড়ি এবং মসজিদে মসজিদে রাতভর চলে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি। শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাতকে মুক্তির রজনী বলা হয়। এ রাতকে ‘লাইলাতুল বরাত’ বা ‘লাইলাতুম মিন নিসফি শা’বান’ও বলা হয়। রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। সেজন্য রাত জেগে মহিমান্বিত এই রাত মহান আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।