জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার :
দুপুর ১:২৫ মিনিট হইতে দুপুর ৩:৩৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ নুরের জামান চৌধুরীর। বিগত মাস খানেক থেকে কিছুদিন পরপর ৩ বার উনার অফিসে গিয়ে উনার সাক্ষাত পাওয়া যায় নি।
সরকারী মুঠোফোনেও একাধিকবার ফোন দিলেও কোন সাড়া মিলে নি। ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোন জবাব মিলে নি। অথচ সিলেটের জেলা প্রশাসককে যখন তখন ফোন দিলে পাওয়া যায়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের অফিসে গেলেই জানা যায়,উনি মিটিং এ,বাহিরে,ছুটিতে। কখন আসলে অফিসে পাওয়া যাবে এই ব্যাপারেও কেউ কিছু বলতে পারেন না।
অদ্য অফিসে গিয়ে সকাল ৯টা থেকে ৩:৩০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে অপেক্ষা করতে করতে এক প্রবাসী সাক্ষাত করতে পেরেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের। আমি নিজেও ১:২৫ মিনিট থেকে ৩:৩৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষমান ছিলাম। এছাড়াও আরো কয়েকজন বিভিন্ন কাজে উনার কাছে এসে এইভাবে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
সরকারী আমলারা বেতন পান দেশের জনগণের ভ্যাট/ট্যাক্সের টাকায়,অথচ উনাদের কাছে সেবা পাওয়ার আশায় গেলে পেতে হয় দুর্ভোগ। সরকারী মুঠোফোনেও কল বা ম্যাসেজ দিলে রিপ্লাই পাওয়া যায় না। একজন মানুষ একটা কাজের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় থাকতে হবে,এইটা কি এই দেশের নাগরিক সেবার আওতায় পড়ে?
সিলেট অভিভাবকহীন একটি জেলা,এইখানের অধিকাংশ দপ্তরের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সিলেটের সংসদ সদস্যরা অফিসগুলোর দিকে নজর দিন। এইভাবে গা ছাড়া হয়ে গেলে নাগরিকরা কি সেবা পাবে।






















