সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাজারে গিলাফ ছড়ালেন সিসিক প্রশাসক কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে হামের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন সিসিক প্রশাসক এসএমপির ৮ মাসের তৎপরতায় বড় ধরনের সাফল্য সিলেটের পাথর কোয়ারি চালু নিয়ে ঢাকার সভায় সিদ্ধান্ত সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা হচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন কেরালায় বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ‘আমার জানাজা পড়াবে না যারা বলে তারা জামায়াতের লোক’

কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ
নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন

স্টাফ রিপোর্টার : 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও টেকসই করে একে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন। তিনি বলেন, কঠিন বর্জ্য শুধু অপসারণ নয়, বরং তা থেকে বায়ো-প্রোডাক্ট উৎপাদনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কারিগরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘বাংলাদেশে নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর (SUWC)’ প্রকল্পের আওতায় ‘সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SWM) পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, “সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী আমরা ‘রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল (3R)’ পদ্ধতির পাশাপাশি সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়নে কাজ করছি। এই কর্মশালার মাধ্যমে যে ৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বর্জ্যমুক্ত সিলেট গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্টেকহোল্ডারদের মতামত, কারিগরি দক্ষতা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সংবেদনশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।”

সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও এসএনভি (SNV)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজিব।
কর্মশালায় সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নগরীর পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক

আপডেট সময় : ০২:৫৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ
নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন

স্টাফ রিপোর্টার : 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও টেকসই করে একে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন। তিনি বলেন, কঠিন বর্জ্য শুধু অপসারণ নয়, বরং তা থেকে বায়ো-প্রোডাক্ট উৎপাদনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কারিগরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘বাংলাদেশে নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর (SUWC)’ প্রকল্পের আওতায় ‘সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SWM) পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, “সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী আমরা ‘রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল (3R)’ পদ্ধতির পাশাপাশি সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়নে কাজ করছি। এই কর্মশালার মাধ্যমে যে ৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বর্জ্যমুক্ত সিলেট গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্টেকহোল্ডারদের মতামত, কারিগরি দক্ষতা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সংবেদনশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।”

সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও এসএনভি (SNV)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজিব।
কর্মশালায় সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নগরীর পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে