সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

প্রেসবিজ্ঞপ্তি

যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয় বিজয় র‍্যালি।

র‍্যালিটির নেতৃত্ব দেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম। র‌্যালিতে সিকৃবি’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ডিন কাউন্সিলের সদস্য, জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সদস্য, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালিটি সমগ্র ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম, জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি, বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন  সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় এবং জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদারের সভাপতিত্বে ‘মহান বিজয় দিবসের’তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিকৃবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি বলেন, মহান বিজয় দিবসে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সকল শহিদ মুক্তিযোদ্ধাকে, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা, পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাঁদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা আর দেশবাসী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে জানাই বিজয়ের আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই বিজয়ের মূল্য অপরিসীম, এর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গঠনই আজ আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ শিক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার পথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের পথপ্রদীপ হয়ে থাকবে-সত্য, ন্যায়, স্বাধীন চিন্তা ও মানবিকতার প্রতিটি স্তম্ভে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-গবেষণা, উদ্ভাবন ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম তৈরি করতে কাজ করছে, যারা দেশ উন্নয়নে সৃজনশীল ভূমিকা রাখবে এবং জাতিকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরবে।

আজকের দিনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। তরুণরাই আমাদের ভবিষ্যৎ-তাদেরকে দেশপ্রেম, দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও সততার আদর্শে গড়ে তুলতে শিক্ষাঙ্গনের ভূমিকা অপরিহার্য। আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য বুঝুক এবং নৈতিক শক্তি ও জ্ঞান দিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসুক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপিত

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রেসবিজ্ঞপ্তি

যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয় বিজয় র‍্যালি।

র‍্যালিটির নেতৃত্ব দেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম। র‌্যালিতে সিকৃবি’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ডিন কাউন্সিলের সদস্য, জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সদস্য, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালিটি সমগ্র ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম, জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি, বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন  সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় এবং জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদারের সভাপতিত্বে ‘মহান বিজয় দিবসের’তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিকৃবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি বলেন, মহান বিজয় দিবসে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সকল শহিদ মুক্তিযোদ্ধাকে, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা, পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাঁদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা আর দেশবাসী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে জানাই বিজয়ের আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই বিজয়ের মূল্য অপরিসীম, এর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গঠনই আজ আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ শিক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার পথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের পথপ্রদীপ হয়ে থাকবে-সত্য, ন্যায়, স্বাধীন চিন্তা ও মানবিকতার প্রতিটি স্তম্ভে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-গবেষণা, উদ্ভাবন ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম তৈরি করতে কাজ করছে, যারা দেশ উন্নয়নে সৃজনশীল ভূমিকা রাখবে এবং জাতিকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরবে।

আজকের দিনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। তরুণরাই আমাদের ভবিষ্যৎ-তাদেরকে দেশপ্রেম, দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও সততার আদর্শে গড়ে তুলতে শিক্ষাঙ্গনের ভূমিকা অপরিহার্য। আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য বুঝুক এবং নৈতিক শক্তি ও জ্ঞান দিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসুক।