সমাজে ফাসাদ সৃষ্টি আল্লাহর নিকট নিন্দনীয় এবং শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ- পুলিশ কমিশনার
- আপডেট সময় : ০৮:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ৫২ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সিলেট পুলিশ কমিশনার পিপিএম মহোদয় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বন্দর বাজার কুদরত উল্যাহ জামে মসজিদে জুম্মায় উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে GenieA অ্যাপ এবং সামগ্রিক জননিরাপত্তা বিষয়ে মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
গত শুক্রবার দুপুর ১২:৫০ ঘটিকায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার জনাব আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম মহোদয় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বন্দর বাজার কুদরত উল্যাহ জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। নামাজের পূর্বে পুলিশ কমিশনার মহোদয় উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে GenieA অ্যাপ এবং সামগ্রিক জননিরাপত্তা বিষয়ে মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার মহোদয় বক্তব্যে বলেন, সমাজে ফাসাদ সৃষ্টি আল্লাহর নিকট নিন্দনীয় এবং শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। তিনি কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “যে কেউ বিনা কারণে কাউকে হত্যা করে বা ফাসাদ সৃষ্টি করে সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল, আর যে কারও জীবন রক্ষা করে সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।
” তিনি বলেন, পুলিশের মূল দায়িত্ব জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি সিলেট মহানগরীতে যোগদানের পর জনগণের দুর্ভোগ কমাতে হকার উচ্ছেদ এবং অবৈধ যানবাহন অপসারণে কঠোর পদক্ষেপ নেন এবং পুলিশ কাজ করছে। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন “রাস্তার হক আদায় করার” অর্থাৎ যেন পথচারী ও যানবাহন উভয়ই নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। অনেকেই তাড়াহুড়োর কারণে উল্টোপথে গাড়ি চালিয়ে জ্যামের সৃষ্টি করেন, যা শৃঙ্খলা নষ্ট করে।
তিনি কুরআনের একটি আয়াত পড়ে বলেন, যারা আল্লাহ এবং তার রাসুলকে কষ্ট দেয় তাদের জন্য লানত দুনিয়া এবং আখিরাতে। আল্লাহ এবং তার রাসুলকে কস্ট দেওয়া মানে তার বিধি-বিধানকে না মানা। আমরা চাই জনগণ যেন দ্রুত, সহজ ও ঝামেলামুক্তভাবে পুলিশি সেবা পায়। এজন্য সেবাকে মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে এবং যে কোনো বিপদে তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা একাধিক যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এর অংশ হিসেবে সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার ছয়টি থানায় GenieA App চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অ্যাপটি ব্যবহার করছেন।
এই অ্যাপের মাধ্যমে-যে কেউ বিপদে পড়লে একটি ক্লিকেই তার লোকেশন অনুযায়ী নিকটস্থ পুলিশ মোবাইল টিম পৌঁছে যাবে, ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের অর্থ পরিবহনের সময় পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে অ্যাপ থেকেই সহায়তা চাওয়া যাবে, এটি সম্পূর্ণ সরকারি সেবা, কোনো প্রকার ফি বা বিনিময় লাগবে না। ভবিষ্যতে থানায় না গিয়ে জিডি ও মামলা অ্যাপের মাধ্যমে করা যাবে, পাশাপাশি ড্রোন সার্ভিল্যান্স সেবা চালুর প্রস্তুতিও চলছে, যা নগরের নিরাপত্তাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে। তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতায় আমরা একটি সুন্দর, আদর্শ. নিরাপদ আধুনিক নগর গড়ে তুলতে পারব।























