সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

২০ বছর পর জেইসি বৈঠক, যেসব বিষয়ে একমত ঢাকা ও ইসলামাবাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালে। এরপর মধ্যে গেছে ২০ বছর।

দুই দশক পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বা জেইসির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে ঢাকা ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে বলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসসের খবরে বলা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ২০ বছর পর আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করেছি এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, সামুদ্রিক পরিবহণ ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এভাবে সহযোগিতা করে, তাহলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে। আমরা এই সহযোগিতা কাঠামো আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছি।

তিনি জানান, আলোচ্য বিষয়গুলোর অগ্রগতি তদারকির জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও নৌপরিবহণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে।

বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়নি।

পাকিস্তানের পেট্রলিয়াম মন্ত্রী বলেন, আমরা এ সহযোগিতা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং পরবর্তী জেইসি বৈঠকে মিলিত হলে যেন উভয় দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০ বছর পর জেইসি বৈঠক, যেসব বিষয়ে একমত ঢাকা ও ইসলামাবাদ

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালে। এরপর মধ্যে গেছে ২০ বছর।

দুই দশক পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বা জেইসির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে ঢাকা ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে বলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসসের খবরে বলা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ২০ বছর পর আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করেছি এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, সামুদ্রিক পরিবহণ ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এভাবে সহযোগিতা করে, তাহলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে। আমরা এই সহযোগিতা কাঠামো আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছি।

তিনি জানান, আলোচ্য বিষয়গুলোর অগ্রগতি তদারকির জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও নৌপরিবহণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে।

বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়নি।

পাকিস্তানের পেট্রলিয়াম মন্ত্রী বলেন, আমরা এ সহযোগিতা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং পরবর্তী জেইসি বৈঠকে মিলিত হলে যেন উভয় দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পারি।