সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ সিলেট ফায়ার সার্ভিসকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট জৈন্তাপুরে নৌকাপ্রতি ২ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সিলেটে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন নবনিয়োগপ্রাপ্ত ১৬ কর্মকর্তা সিলেটের ৩ কর্মকর্তা বদলি, একই সঙ্গে পদায়ন নয়াবাজার মণিপুরী পাড়ায় মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল স্পিকার মুস্তাক আহমদের সাক্ষাৎ

২০ বছর পর জেইসি বৈঠক, যেসব বিষয়ে একমত ঢাকা ও ইসলামাবাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালে। এরপর মধ্যে গেছে ২০ বছর।

দুই দশক পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বা জেইসির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে ঢাকা ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে বলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসসের খবরে বলা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ২০ বছর পর আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করেছি এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, সামুদ্রিক পরিবহণ ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এভাবে সহযোগিতা করে, তাহলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে। আমরা এই সহযোগিতা কাঠামো আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছি।

তিনি জানান, আলোচ্য বিষয়গুলোর অগ্রগতি তদারকির জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও নৌপরিবহণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে।

বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়নি।

পাকিস্তানের পেট্রলিয়াম মন্ত্রী বলেন, আমরা এ সহযোগিতা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং পরবর্তী জেইসি বৈঠকে মিলিত হলে যেন উভয় দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০ বছর পর জেইসি বৈঠক, যেসব বিষয়ে একমত ঢাকা ও ইসলামাবাদ

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালে। এরপর মধ্যে গেছে ২০ বছর।

দুই দশক পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বা জেইসির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে ঢাকা ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে বলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসসের খবরে বলা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ২০ বছর পর আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করেছি এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, সামুদ্রিক পরিবহণ ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এভাবে সহযোগিতা করে, তাহলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে। আমরা এই সহযোগিতা কাঠামো আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছি।

তিনি জানান, আলোচ্য বিষয়গুলোর অগ্রগতি তদারকির জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও নৌপরিবহণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে।

বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়নি।

পাকিস্তানের পেট্রলিয়াম মন্ত্রী বলেন, আমরা এ সহযোগিতা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং পরবর্তী জেইসি বৈঠকে মিলিত হলে যেন উভয় দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পারি।