হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে আটকে পড়া যাত্রীদের দুর্ভোগ
- আপডেট সময় : ০৪:১৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে আটকে পড়েন হাজারো যাত্রী।
গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার এলাকায় চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি লাইনচ্যুত হলে এ দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সিলেটগামী ও সিলেট থেকে ঢাকাগামী একাধিক ট্রেন শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে থেমে যায়। এতে নারী-শিশু ও বৃদ্ধদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অপো করতে গিয়ে খাবার-পানি সংকটে পড়েন। আটকে পড়া যাত্রী আবদুল মালেক বলেন, “সকালে ঢাকা থেকে সিলেট যাচ্ছিলাম। শায়েস্তাগঞ্জ এসে ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমে ভেবেছিলাম একটু পর ছাড়বে। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেলেও ট্রেন চলল না। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে চরম কষ্টে পড়েছি।
আরেক যাত্রী রোকসানা আক্তার বলেন, “ট্রেনে বসে থাকতে থাকতে বাচ্চারা কান্নাকাটি শুরু করে। পানিও শেষ হয়ে গিয়েছিল। রেলওয়ের পক্ষ থেকে কোনো সাহায্য মেলেনি।”
প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়, এরপর কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় অন্তত ১০-১৫ জন আহত হয়েছেন বলে সিলেট ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে। সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার নুরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। কুলাউড়া থেকে একটি উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে লাইনচ্যুত বগি সরিয়ে নেওয়ার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সিলেট স্টেশনে আটকে থাকা কালনী এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। একই সঙ্গে মাইজগাঁও স্টেশনে আটকে থাকা উপবন এক্সপ্রেসও গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে। তবে কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে আটকে পড়া যাত্রীদের দুর্ভোগে ভোগান্তির সীমা ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।


















