সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান স্মরণসভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট চেম্বারের প্রশাসকের সাথে ভারত থেকে আগত বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদের সহযোগী জয়নাল গ্রেপ্তার সিলেটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ, অধ্যক্ষ শিক্ষক আন্দোলনে উত্তাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৭ হাজার কেজি ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ সিলেটে দুই বেকারিতে অভিযান, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটে অনিয়ম-অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫৩৬ মামলায় জরিমানা ২৪ লাখ সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজারে ৩ পদে চাকরির সুযোগ সিলেটে সেমিনারে সিসিক প্রশাসক সিলেট থেকে শুরু ‘রবি বোলারহান্ট’-এর ট্রায়াল শুরু

সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের আবাসিক হোটেল মালিকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ লাইন্স হলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় উপস্থিত হোটেল মালিকরা তাদের নানা সমস্যা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী তাদের সকল সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “সামান্য লাভের আশায় অপরাধীদের আশ্রয় দেবেন না। আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করলে শহরের পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং হোটেল শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি প্রতিটি হোটেলে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বর্ডারদের পরিচয় যাচাই, এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন ছাড়া রুম বরাদ্দ না দেওয়া, প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতিটি হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন ও তার নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এসব কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় তিনি একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অ্যাপসের মাধ্যমে বর্ডাররা রেজিস্ট্রেশন করে আগেভাগেই হোটেল বুকিং করতে পারবে, যা হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আওতায় আনবে। একই সঙ্গে ‘জিনিয়া অ্যাপস’-এর গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরবাসী যেকোনো বিপদের সময় এক ক্লিকেই পুলিশের সাহায্য চাইতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “সিলেট একটি পবিত্র ও পর্যটননির্ভর শহর। এখানে আগত পর্যটকরা অনেক সময় গাড়ি ভাড়া, চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো সমস্যায় পড়েন। হোটেল মালিকরা যদি তাদের অতিথিদের সঠিকভাবে সহযোগিতা করেন, তবে পর্যটকেরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবেন এবং হোটেল ব্যবসাও লাভবান হবে। নিরাপদ ও সুন্দর শহর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও আবাসিক হোটেল মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের আবাসিক হোটেল মালিকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ লাইন্স হলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় উপস্থিত হোটেল মালিকরা তাদের নানা সমস্যা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী তাদের সকল সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “সামান্য লাভের আশায় অপরাধীদের আশ্রয় দেবেন না। আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করলে শহরের পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং হোটেল শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি প্রতিটি হোটেলে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বর্ডারদের পরিচয় যাচাই, এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন ছাড়া রুম বরাদ্দ না দেওয়া, প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতিটি হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন ও তার নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এসব কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় তিনি একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অ্যাপসের মাধ্যমে বর্ডাররা রেজিস্ট্রেশন করে আগেভাগেই হোটেল বুকিং করতে পারবে, যা হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আওতায় আনবে। একই সঙ্গে ‘জিনিয়া অ্যাপস’-এর গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরবাসী যেকোনো বিপদের সময় এক ক্লিকেই পুলিশের সাহায্য চাইতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “সিলেট একটি পবিত্র ও পর্যটননির্ভর শহর। এখানে আগত পর্যটকরা অনেক সময় গাড়ি ভাড়া, চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো সমস্যায় পড়েন। হোটেল মালিকরা যদি তাদের অতিথিদের সঠিকভাবে সহযোগিতা করেন, তবে পর্যটকেরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবেন এবং হোটেল ব্যবসাও লাভবান হবে। নিরাপদ ও সুন্দর শহর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও আবাসিক হোটেল মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।