সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের আবাসিক হোটেল মালিকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ লাইন্স হলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় উপস্থিত হোটেল মালিকরা তাদের নানা সমস্যা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী তাদের সকল সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “সামান্য লাভের আশায় অপরাধীদের আশ্রয় দেবেন না। আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করলে শহরের পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং হোটেল শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি প্রতিটি হোটেলে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বর্ডারদের পরিচয় যাচাই, এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন ছাড়া রুম বরাদ্দ না দেওয়া, প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতিটি হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন ও তার নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এসব কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় তিনি একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অ্যাপসের মাধ্যমে বর্ডাররা রেজিস্ট্রেশন করে আগেভাগেই হোটেল বুকিং করতে পারবে, যা হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আওতায় আনবে। একই সঙ্গে ‘জিনিয়া অ্যাপস’-এর গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরবাসী যেকোনো বিপদের সময় এক ক্লিকেই পুলিশের সাহায্য চাইতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “সিলেট একটি পবিত্র ও পর্যটননির্ভর শহর। এখানে আগত পর্যটকরা অনেক সময় গাড়ি ভাড়া, চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো সমস্যায় পড়েন। হোটেল মালিকরা যদি তাদের অতিথিদের সঠিকভাবে সহযোগিতা করেন, তবে পর্যটকেরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবেন এবং হোটেল ব্যবসাও লাভবান হবে। নিরাপদ ও সুন্দর শহর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও আবাসিক হোটেল মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের আবাসিক হোটেল মালিকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ লাইন্স হলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় উপস্থিত হোটেল মালিকরা তাদের নানা সমস্যা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী তাদের সকল সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “সামান্য লাভের আশায় অপরাধীদের আশ্রয় দেবেন না। আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করলে শহরের পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং হোটেল শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি প্রতিটি হোটেলে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বর্ডারদের পরিচয় যাচাই, এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন ছাড়া রুম বরাদ্দ না দেওয়া, প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতিটি হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপন ও তার নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেটের কিছু হোটেলে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে, যা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামী করছে এবং শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এসব কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় তিনি একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অ্যাপসের মাধ্যমে বর্ডাররা রেজিস্ট্রেশন করে আগেভাগেই হোটেল বুকিং করতে পারবে, যা হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আওতায় আনবে। একই সঙ্গে ‘জিনিয়া অ্যাপস’-এর গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরবাসী যেকোনো বিপদের সময় এক ক্লিকেই পুলিশের সাহায্য চাইতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “সিলেট একটি পবিত্র ও পর্যটননির্ভর শহর। এখানে আগত পর্যটকরা অনেক সময় গাড়ি ভাড়া, চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো সমস্যায় পড়েন। হোটেল মালিকরা যদি তাদের অতিথিদের সঠিকভাবে সহযোগিতা করেন, তবে পর্যটকেরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবেন এবং হোটেল ব্যবসাও লাভবান হবে। নিরাপদ ও সুন্দর শহর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও আবাসিক হোটেল মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।