যে সংবিধান আমাদের অধিকার সংরক্ষিত রাখবে, আমরা সে পথেই হাঁটবো- জারা
- আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার :
‘আমরা সেই সংবিধানের পথেই হাঁটবো, যে সংবিধান আমাদের অধিকার সংরক্ষিত রাখবে’—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে ‘গণপরিষদ নির্বাচন, নতুন সংবিধান, বিচার ও সংস্কারের জাতীয় দাবিতে’ আয়োজিত এক উঠানবৈঠকে তিনি আরও বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ আপনার-আমার বাংলাদেশ। তরুণদের বাংলাদেশ। নারীদের বাংলাদেশ। আমাদের মা-খালাদের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ যাতে সবার হয় সেই চেষ্টাই আমরা করছি। আমাদের পথটা অনেক লম্বা। খুব সহজেই যে আমরা এ লড়াই জিতবো, সেটি ধরে নিচ্ছি না। আমাদের দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হবে। আমরা এর জন্য প্রস্তুত।’
তাসনিম জারা বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে সীমাহীন খুন, গুম ও নির্যাতন হয়েছে। তার ১৫ বছরের সবগুলো নির্বাচনই ছিল অবৈধ। তারপর তরুণদের নেতৃত্বে আপামর জনগণ রক্ত দিয়ে হাসিনাকে হটিয়ে ইন্টেরিম সরকারকে ক্ষমতায় পাঠিয়েছে। কিন্তু গত একটি বছর ধরে এই বিপ্লবী তরুণদের নিয়ে নানা কটূ কথা হচ্ছে। বলা হচ্ছে— আমরা বয়সে ছোট। আমরা কীভাবে দেশ চালাবো। কিন্তু এই ছোট মানুষদেরই কিন্তু দেশের প্রতি মায়া বেশি। তরুণরা ক্ষমতার প্রতি প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে পারে। তাদের সেই সাহস আছে। সুতরাং তরুণরা শুধু রাজপথে রক্ত দেবে, কিন্তু তাদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হবে না, সেটি আর এ দেশে চলতে দেওয়া হবে না।’
চব্বিশের অভ্যুত্থানে নারীরা একেবারে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে এনসিপি’র কেন্দ্রীয় এই নেত্রী বলেন, কিন্তু বিপ্লবী নারীরা এখন সাইবার বুলিংয়ের শিকার। যেসব নারী রাজনীতি করতে চান, তাদের নিরাপদ স্থান গড়ে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সিলেট জেলা এনসিপি সদস্য ও ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা সামসুজ্জামান হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠানবৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, এনসিপি’র উত্তরাঞ্চলের সংগঠক অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার শেলী, যুগ্ম-সদস্যসচিব ও সিলেট বিভাগীয় সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক, সিলেট মহানগর শাখার প্রধান সমন্বয়ক আবূ সাদেক মোহাম্মদ খায়রুল চৌধুরী, জেলা সদস্য সুহেল আহমেদ মূসা, আয়েশা সিদ্দিকা প্রিয়া ও মো. গিয়াস উদ্দিন। উঠানবৈঠকে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং নারী ও যুবসমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।






















