সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেটের পাথর লুট, তিন দিনে উদ্ধারের পরিমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর ও গোয়াইনঘাটের জাফলং দেশ বিখ্যাত দুই পর্যটন কেন্দ্র। শুধু দেশ নয়, আন্তর্জাতিক পরিচিতিও আছে এ দুই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত স্থানের। উজানের পাহাড় বেয়ে নেমে আসা পাথরের কারণে সাদা পাথর ও জাফলয়ের সৌন্দর্যে পায় ভিন্ন মাত্রা। কখনো কখনো পাথরই উঠে প্রধান আকর্ষণ। অথচ সেই পাথরই লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তের দল।

সম্প্রতি সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই ঘটনা গড়িয়েছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, লুন্টিত পাথর উদ্ধার করে আবার যথাস্থানে প্রতিস্থাপন করার। এরপর টনক নড়ে প্রশাসনের। সারাদেশে শুরু হয় অভিযান। এসব অভিযানের ফলে কিছু পাথর উদ্ধার হয়েছে বটে, তবে সংশ্লিষ্টদের ধারনা লুন্টিত পাথরের তুলনায় উদ্ধারের পরিমাণ অতিসামান্য।

উদ্ধার অভিযানে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় ১২ হাজার ঘনফুট, বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) উদ্ধার করা হয় ৩৭ হাজার ঘনফুট পাথর।

একই দিন নারায়নগঞ্জ থেকে যৌথ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ৪০ হাজার ঘনফুট পাথর। অবশ্য এগুলো নিয়ে দ্রুত ভেঙে ফেলা হয়।

শুক্রবার সকাল থেকে আবারও অভিযান শুরু করে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ হাজার ঘনফুট ও কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ৮ হাজার ঘনফুট পাথর।

নারায়নগঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া ভাঙা পাথরগুলো কি হবে না হবে জানতে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের মোবাইলে কল দিলেও তারা রিসিভ করেন নি।

তবে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী জানিয়েছেন এ ব্যাপারে এখনো তারা কোনো নির্দেশনা পান নি।

তিনি আরও বলেন, অভিযান চলবে। আমরা পাথর উদ্ধার ও প্রতিস্থাপন করছি।

আর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহার জানিয়েছেন, শুক্রবারও ৮ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো আমরা সাদা পাথরে প্রতিস্থাপন করছি। অভিযান চলবে।

অপরদিকে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় জৈন্তাপুর উপজেলার আসাম পাড়া এলাকায় র‌্যাব-৯ এর টহল টিম, সাদা পোশাকধারী সদস্য এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় একটি যৌথ আভিযানিক দল  আনুমানিক ৭ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের পাথর লুট, তিন দিনে উদ্ধারের পরিমান

আপডেট সময় : ০১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর ও গোয়াইনঘাটের জাফলং দেশ বিখ্যাত দুই পর্যটন কেন্দ্র। শুধু দেশ নয়, আন্তর্জাতিক পরিচিতিও আছে এ দুই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত স্থানের। উজানের পাহাড় বেয়ে নেমে আসা পাথরের কারণে সাদা পাথর ও জাফলয়ের সৌন্দর্যে পায় ভিন্ন মাত্রা। কখনো কখনো পাথরই উঠে প্রধান আকর্ষণ। অথচ সেই পাথরই লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তের দল।

সম্প্রতি সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই ঘটনা গড়িয়েছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, লুন্টিত পাথর উদ্ধার করে আবার যথাস্থানে প্রতিস্থাপন করার। এরপর টনক নড়ে প্রশাসনের। সারাদেশে শুরু হয় অভিযান। এসব অভিযানের ফলে কিছু পাথর উদ্ধার হয়েছে বটে, তবে সংশ্লিষ্টদের ধারনা লুন্টিত পাথরের তুলনায় উদ্ধারের পরিমাণ অতিসামান্য।

উদ্ধার অভিযানে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় ১২ হাজার ঘনফুট, বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) উদ্ধার করা হয় ৩৭ হাজার ঘনফুট পাথর।

একই দিন নারায়নগঞ্জ থেকে যৌথ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ৪০ হাজার ঘনফুট পাথর। অবশ্য এগুলো নিয়ে দ্রুত ভেঙে ফেলা হয়।

শুক্রবার সকাল থেকে আবারও অভিযান শুরু করে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ হাজার ঘনফুট ও কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ৮ হাজার ঘনফুট পাথর।

নারায়নগঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া ভাঙা পাথরগুলো কি হবে না হবে জানতে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের মোবাইলে কল দিলেও তারা রিসিভ করেন নি।

তবে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী জানিয়েছেন এ ব্যাপারে এখনো তারা কোনো নির্দেশনা পান নি।

তিনি আরও বলেন, অভিযান চলবে। আমরা পাথর উদ্ধার ও প্রতিস্থাপন করছি।

আর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহার জানিয়েছেন, শুক্রবারও ৮ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো আমরা সাদা পাথরে প্রতিস্থাপন করছি। অভিযান চলবে।

অপরদিকে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় জৈন্তাপুর উপজেলার আসাম পাড়া এলাকায় র‌্যাব-৯ এর টহল টিম, সাদা পোশাকধারী সদস্য এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় একটি যৌথ আভিযানিক দল  আনুমানিক ৭ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।