সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

বিশ্বনাথে শিশু নির্যাতন, ইউপি চেয়ারম্যান’সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মা ম লা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

 বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

গরুচোর সন্দেহে শিশুর উপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান’সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মজনপুর গ্রামের নির্যাতিত শিশু অলিউর রহমান (১৪)’র মা জলি বেগম (৩৫) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ১২ (তাং ১৮.০৩.২৫ইং)।

উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কালীজুড়ি মটুককোনা গ্রামের মৃত আব্দুল আহাদের পুত্র লায়েক আহমদ মেম্বার ছাড়াও মামলায় অভিযুক্ত (আসামী) করা হয়েছে একই গ্রামের রুস্তুম আলীর পুত্র নানু মিয়া (৩৫), সদরপুর মটুককুনা গ্রামের কাহানুর মিয়ার পুত্র লোকমান মিয়া (৪৫), কালিজুরি মটুককুনা গ্রামের জলিল মিয়ার পুত্র সুমন আহমদ (৩২) ও কমসির আলী পুত্র আব্দুল বারিক (২৯)।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, যে তার নির্যাতিত শিশু পুত্র অলিউর রহমান বিশ্বনাথ বাজারে একটি দোকানে চাকুরি করে। ঘটনার দিন (১৬ মার্চ) বিকেলে দোকানের ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব শক্রতার জেরে মামলার অভিযুক্ত (আসামী)’রা রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লায়েক আহমদের বাড়িতে। সেখানে নিয়ে গ্রিলের সাথে বেঁধে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। আমরা সংবাদ পেয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লায়েক আহমদের বাড়িতে গেলে মামলার অভিযুক্তরা তাকে জানায় তার পুত্রকে গরু চোর সন্দেহে আটক করা হয়েছে। পরে আসামীরা ডেগার দিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক একটি সাদা কাগজে আমার ও আমার স্বামী রোহেল মিয়া এবং আমার ভাই কামরুল আলীর স্বাক্ষর নিয়ে জখমি অবস্থায় আমার পুত্রকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে রাতে নির্যাতীত শিশু অলিউর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে শিশু ওলিউর রহমানকে 
সিলেট
 এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিশ্বনাথে শিশু নির্যাতন, ইউপি চেয়ারম্যান’সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মা ম লা

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

গরুচোর সন্দেহে শিশুর উপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান’সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মজনপুর গ্রামের নির্যাতিত শিশু অলিউর রহমান (১৪)’র মা জলি বেগম (৩৫) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ১২ (তাং ১৮.০৩.২৫ইং)।

উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কালীজুড়ি মটুককোনা গ্রামের মৃত আব্দুল আহাদের পুত্র লায়েক আহমদ মেম্বার ছাড়াও মামলায় অভিযুক্ত (আসামী) করা হয়েছে একই গ্রামের রুস্তুম আলীর পুত্র নানু মিয়া (৩৫), সদরপুর মটুককুনা গ্রামের কাহানুর মিয়ার পুত্র লোকমান মিয়া (৪৫), কালিজুরি মটুককুনা গ্রামের জলিল মিয়ার পুত্র সুমন আহমদ (৩২) ও কমসির আলী পুত্র আব্দুল বারিক (২৯)।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, যে তার নির্যাতিত শিশু পুত্র অলিউর রহমান বিশ্বনাথ বাজারে একটি দোকানে চাকুরি করে। ঘটনার দিন (১৬ মার্চ) বিকেলে দোকানের ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব শক্রতার জেরে মামলার অভিযুক্ত (আসামী)’রা রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লায়েক আহমদের বাড়িতে। সেখানে নিয়ে গ্রিলের সাথে বেঁধে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। আমরা সংবাদ পেয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লায়েক আহমদের বাড়িতে গেলে মামলার অভিযুক্তরা তাকে জানায় তার পুত্রকে গরু চোর সন্দেহে আটক করা হয়েছে। পরে আসামীরা ডেগার দিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক একটি সাদা কাগজে আমার ও আমার স্বামী রোহেল মিয়া এবং আমার ভাই কামরুল আলীর স্বাক্ষর নিয়ে জখমি অবস্থায় আমার পুত্রকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে রাতে নির্যাতীত শিশু অলিউর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে শিশু ওলিউর রহমানকে 
সিলেট
 এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।