সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

নবীগঞ্জের মোস্তাকিন হত্যাকাণ্ড-পরিকল্পনাকারী ২ভাবী কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :

নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাওঁ গ্রামের চাঞ্চল্যকর কিশোর মোস্তাকিন হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারী নিহত মোস্তাকিনের দুই ভাবীর অবশেষে টাই হলো কারাগারে।

গত শনিবার সকালে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ধৃত ঘাতক রায়হান উদ্দীনের স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দির প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২৪ নভেম্বর রাতে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাওঁ গ্রামে মৃত জফর মিয়ার ৪র্থ ছেলে কিশোর মোস্তাকিন দুই ভাবীর পরকীয়ায় আসক্ত অবস্থায় দেখে ফেলায় পরিকল্পনা করে তাদের সহযোগিতায় ধারালো ছুরি দিয়ে কিশোর মোস্তাকিন (১৭) কে জবাই করে হত্যা করে রায়হান উদ্দীন।

ঘটনার পরপর আত্মগোপনে চলে যায় রায়হান। নবীগঞ্জ থানার ওসি কামাল হোসেন পিপিএম এর নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তরিকুল ইসলাম একদল পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান করেও তাকে না পাওয়ায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হননি।

এ ব্যাপারে দৈনিক হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস পত্রিকায় ফলাও করে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং শুরু থেকেই ভাবীদের পরকীয়ার বলি মোস্তাকিন সংবাদে উল্লেখ করা হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার মামলার প্রধান আসামী রায়হান উদ্দীনকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন ব্যাব-৯ ও পুলিশ। রে পুলিশ হেফাজতে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে রায়হান উদ্দীন ঘটনার লোমহর্ষ বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে। তার দেয়া তথ্য মতে পুলিশ হত্যাকান্ডের বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। পরে শুক্রবার রায়হান উদ্দীন বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পুলিশ শুক্রবার রাতেই ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী দুই ভাবী কে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফলে পরকীয়ার বলিই কিশোর মোস্তাকিন বেরিয়ে আসে। ঘাতক রায়হান উদ্দীন পালাক্রমে নিহতের দুই ভাবীর সাথেই মেলামেশা করতো। ঘটনার দিন প্রথমে মেজো ভাবী তাছলিমার সাথে মেলামেশা করে। পরে বড় ভাবীর শয়ন কক্ষে যাবার সময় মোস্তাকিন দেখে ফেলে। এবং ঘটনাটি তার মায়ের কাছে বলে দিবে মর্মে জানানোর কথা বলাই কাল হয়ে দাড়ালো। শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে খুন হয় মোস্তাকিন। এ ঘটনাটি নবীগঞ্জের সর্বত্র আলোচনার ঝড় উঠে। এলাকাবাসী ঘাতক রায়হান উদ্দীনসহ পরিকল্পনাকারী দুই ভাবীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নবীগঞ্জের মোস্তাকিন হত্যাকাণ্ড-পরিকল্পনাকারী ২ভাবী কারাগারে

আপডেট সময় : ০৯:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :

নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাওঁ গ্রামের চাঞ্চল্যকর কিশোর মোস্তাকিন হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারী নিহত মোস্তাকিনের দুই ভাবীর অবশেষে টাই হলো কারাগারে।

গত শনিবার সকালে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ধৃত ঘাতক রায়হান উদ্দীনের স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দির প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২৪ নভেম্বর রাতে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাওঁ গ্রামে মৃত জফর মিয়ার ৪র্থ ছেলে কিশোর মোস্তাকিন দুই ভাবীর পরকীয়ায় আসক্ত অবস্থায় দেখে ফেলায় পরিকল্পনা করে তাদের সহযোগিতায় ধারালো ছুরি দিয়ে কিশোর মোস্তাকিন (১৭) কে জবাই করে হত্যা করে রায়হান উদ্দীন।

ঘটনার পরপর আত্মগোপনে চলে যায় রায়হান। নবীগঞ্জ থানার ওসি কামাল হোসেন পিপিএম এর নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তরিকুল ইসলাম একদল পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান করেও তাকে না পাওয়ায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হননি।

এ ব্যাপারে দৈনিক হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস পত্রিকায় ফলাও করে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং শুরু থেকেই ভাবীদের পরকীয়ার বলি মোস্তাকিন সংবাদে উল্লেখ করা হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার মামলার প্রধান আসামী রায়হান উদ্দীনকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন ব্যাব-৯ ও পুলিশ। রে পুলিশ হেফাজতে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে রায়হান উদ্দীন ঘটনার লোমহর্ষ বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে। তার দেয়া তথ্য মতে পুলিশ হত্যাকান্ডের বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। পরে শুক্রবার রায়হান উদ্দীন বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পুলিশ শুক্রবার রাতেই ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী দুই ভাবী কে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফলে পরকীয়ার বলিই কিশোর মোস্তাকিন বেরিয়ে আসে। ঘাতক রায়হান উদ্দীন পালাক্রমে নিহতের দুই ভাবীর সাথেই মেলামেশা করতো। ঘটনার দিন প্রথমে মেজো ভাবী তাছলিমার সাথে মেলামেশা করে। পরে বড় ভাবীর শয়ন কক্ষে যাবার সময় মোস্তাকিন দেখে ফেলে। এবং ঘটনাটি তার মায়ের কাছে বলে দিবে মর্মে জানানোর কথা বলাই কাল হয়ে দাড়ালো। শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে খুন হয় মোস্তাকিন। এ ঘটনাটি নবীগঞ্জের সর্বত্র আলোচনার ঝড় উঠে। এলাকাবাসী ঘাতক রায়হান উদ্দীনসহ পরিকল্পনাকারী দুই ভাবীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।