সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটসহ সারা দেশে গণপরিবহনের জন্য নির্দেশ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত বাধ্যতামূলক নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল

বিছনাকান্দি ৬০ লক্ষ ঘনফুট পাথর হরিলুট- থানায় মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রের মুল সৌন্দর্য পাথর এখন আর নেই। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিছনাকান্দি জিরো পয়েন্ট ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৬০ (ষাট) লক্ষ ঘনফুট পাথর হরিলুট হয়েছে। পাথরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রের মূল সৌন্দর্য পাথর চুরি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গোয়াইনঘাট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাইদুল ইসলামের মৌখিক আদেশে তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বাদী হয়ে গত (৩০ অক্টোবর ) গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্র ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে আনুমানিক ৬০ (ষাট) লক্ষ ঘনফুট পাথর চুরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের ভেড়িবিল গ্রামের আব্দুছ ছত্তারের ছেলে হারুন মিয়াকে প্রধান আসামি করে এজাহারে ২৩ জনের উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আসামি রাখা হয়েছে আরো ৫০ থেকে ৬০ জন।

মামলার বাদী তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট বিকাল ৪ টা থেকে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিবেশে দুষ্কৃতকারীরা পাথর চুরি শুরু করে এবং গত ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়মিত বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্র ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৬০ লক্ষ ঘনফুট পাথর চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা। পরে সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাইদুল ইসলামের মৌখিক আদেশে গত ৩০ অক্টোবর গোয়াইনঘাট থানায় ৬০ লক্ষ ঘনফুট পাথর চুরির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করলে এদিনই গোয়াইনঘাট থানায় মামলা রুজু করা হয়।

থানায় পাথর চুরির মামলা রুজু হওয়ার পর গত ৩ নভেম্বর গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিছনাকান্দি সীমান্ত এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার তোফায়েল বলেন, পাথর চুরি মামলার আসামিদের ধরতে শ্রীগ্রই মাঠে নামছে পুলিশ। গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, টাস্ক ফোর্সের অভিযানে বিছনাকান্দি সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে পতিত অবস্থায় আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিছনাকান্দি ৬০ লক্ষ ঘনফুট পাথর হরিলুট- থানায় মামলা

আপডেট সময় : ০৩:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রের মুল সৌন্দর্য পাথর এখন আর নেই। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিছনাকান্দি জিরো পয়েন্ট ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৬০ (ষাট) লক্ষ ঘনফুট পাথর হরিলুট হয়েছে। পাথরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রের মূল সৌন্দর্য পাথর চুরি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গোয়াইনঘাট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাইদুল ইসলামের মৌখিক আদেশে তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বাদী হয়ে গত (৩০ অক্টোবর ) গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্র ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে আনুমানিক ৬০ (ষাট) লক্ষ ঘনফুট পাথর চুরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের ভেড়িবিল গ্রামের আব্দুছ ছত্তারের ছেলে হারুন মিয়াকে প্রধান আসামি করে এজাহারে ২৩ জনের উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আসামি রাখা হয়েছে আরো ৫০ থেকে ৬০ জন।

মামলার বাদী তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট বিকাল ৪ টা থেকে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিবেশে দুষ্কৃতকারীরা পাথর চুরি শুরু করে এবং গত ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়মিত বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্র ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৬০ লক্ষ ঘনফুট পাথর চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা। পরে সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাইদুল ইসলামের মৌখিক আদেশে গত ৩০ অক্টোবর গোয়াইনঘাট থানায় ৬০ লক্ষ ঘনফুট পাথর চুরির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করলে এদিনই গোয়াইনঘাট থানায় মামলা রুজু করা হয়।

থানায় পাথর চুরির মামলা রুজু হওয়ার পর গত ৩ নভেম্বর গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিছনাকান্দি সীমান্ত এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার তোফায়েল বলেন, পাথর চুরি মামলার আসামিদের ধরতে শ্রীগ্রই মাঠে নামছে পুলিশ। গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, টাস্ক ফোর্সের অভিযানে বিছনাকান্দি সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে পতিত অবস্থায় আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।