সিলেটে কোয়ারির পাথরের মূল্য নির্ধারণে প্রতিনিধিরা
- আপডেট সময় : ১০:২৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ১২১ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট ও সুনামগঞ্জের পাথর কোয়ারিগুলো পরিদর্শন এবং পাথরের মূল্য নির্ধারণে এসেছে সরকারি প্রতিনিধি দল। ভূতত্ত্ব এবং খনি ও খনিজ অধিদপ্তরের দুই উপ-পরিচালক নিয়ে গঠিত একটি টিম পরিদর্শনে এসেছে এসব কোয়ারি। ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেটের কোয়ারিগুলো পরিদর্শন করেছেন তারা, আর ১৭ ও ১৮ অক্টোবর পরিদর্শন করবেন সুনামগঞ্জের কোয়ারিগুলো।
হঠাৎ করে পাথর কোয়ারিগুলো পরিদর্শন মজুতকৃত পাথরের মূল্য নির্ধারণে সরকারি প্রতিনিধি দল সিলেটে আসার কারণ জানা যায়নি। তবে সূত্র বলছে, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঢিলে হয়ে পড়লে সিলেটের বিভিন্ন কোয়ারি থেকে পাথর ও বালু দেদারসে লুট হয়। এসব স্থান পরিদর্শন করতেও এটি টিম সিলেটে আসতে পারে।
সূত্র জানায়, গত ৮ অক্টোবর এক চিঠিতে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভূতত্ত্ব) আশরাফ হোসেন ও উপ-পরিচালক (খনি ও খনিজ) মাহফুজুর রহমানকে সিলেট এবং সুনামগঞ্জ পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। চিঠির অনুলিপি সিলেট জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হলেও এ বিষয়ে তারা অবগত নন।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মো. আল-জুনায়েদ বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে সাংবাদিকদের-কে বলেন- এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। এমন টিম আসলে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে পারেন।
এদিকে, প্রতিনিধি টিমের পরিদর্শনের খবরে সিলেটের পাথর কোয়ারি-সংশ্লিষ্ট মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তারা মনে করছেন সরকারি প্রতিনিধি দলের পরিদর্শনের মাধ্যমে কোয়ারি খুলতে পারে। তবে সিলেটের প্রায় সবকটি কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলনে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর মধ্যে জাফলংকে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
উল্লেখ্য, সিলেট ও সুনামগঞ্জে গেজেটভুক্ত বালুমিশ্রিত ৯টি পাথর কোয়ারি রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ও বিছনাকান্দি, কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ, উৎমা, শাহ আরেফিন টিলা ও রতনপুর, কানাইঘাটের লোভাছড়া ও শ্রীপুর পাথর কোয়ারি এবং সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের ফাজিলপুর ও বিশ্বম্ভরপুরের ধোপাজান পাথর কোয়ারি।

























