সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

সিলেট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের ময়নাতদন্ত চায় পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪ ১২২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতদের মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আন্দোলনে 
সিলেট
 বিভাগে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন। এর মধ্যে চারজনের ময়নাতদন্ত হলেও বাকিদের দাফন হয় ময়নাতদন্ত ছাড়াই। কিন্তু মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতে নিহতদের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত চায় পুলিশ।

এজন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আদালত ৬ জনের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে ৪ জনের মরদেহ তুলতে ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন কোন নিহতের পরিবার কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনে আপত্তি জানাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

আন্দোলনে সিলেটের গোলাপগঞ্জে নিহত ৬ জনের মামলার তদন্তের জন্য মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করে পুলিশ। আদালত মরদেহগুলো কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন। এরপর ৬ জনের মধ্যে ৪ জনের লাশ উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসন ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর মধ্যে নিহত গৌছ উদ্দিনের লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার জনি রায়, নাজমুল ইসলামের মরদেহ উত্তোলনে জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার জর্জ মিত্র চাকমা, হাসান আহমদ জয়ের মরদেহ উত্তোলনে জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসরাল ও সানি আহমদের মরদেহ উত্তোলনে সহকারী কমিশনার মো. মাসুদ রানাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এই আদেশের পর গত ৩০ সেপ্টেম্বর গৌছ উদ্দিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন না করার জন্য আদালতে আবেদন করেন তাঁর ভাই ও মামলার বাদী মো. রেজাউল করিম। সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানার আদালতে এই আবেদন করা হলে শুনানী শেষে বিচারক আবেদনটির নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। কোন আদেশ দেননি তিনি।

গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আবদুন নাসের জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা ৬ জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করলে আদালত অনুমতি দিয়েছেন। আদালতের আদেশের পর পরই জেলা প্রশাসন থেকে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই লাশগুলো যত দ্রুত সম্ভব কবর থেকে তোলা হবে। আমরা চেষ্টা করছি চার জন নয়, সম্ভব হলে এক সাথে ৬ জনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করতে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার উজ জামান গণমাধ্যমকে জানান, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আলোচনা করে সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে লাশ উত্তোলন করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের ময়নাতদন্ত চায় পুলিশ

আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতদের মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আন্দোলনে 
সিলেট
 বিভাগে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন। এর মধ্যে চারজনের ময়নাতদন্ত হলেও বাকিদের দাফন হয় ময়নাতদন্ত ছাড়াই। কিন্তু মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতে নিহতদের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত চায় পুলিশ।

এজন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আদালত ৬ জনের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে ৪ জনের মরদেহ তুলতে ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন কোন নিহতের পরিবার কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনে আপত্তি জানাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

আন্দোলনে সিলেটের গোলাপগঞ্জে নিহত ৬ জনের মামলার তদন্তের জন্য মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করে পুলিশ। আদালত মরদেহগুলো কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন। এরপর ৬ জনের মধ্যে ৪ জনের লাশ উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসন ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর মধ্যে নিহত গৌছ উদ্দিনের লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার জনি রায়, নাজমুল ইসলামের মরদেহ উত্তোলনে জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার জর্জ মিত্র চাকমা, হাসান আহমদ জয়ের মরদেহ উত্তোলনে জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসরাল ও সানি আহমদের মরদেহ উত্তোলনে সহকারী কমিশনার মো. মাসুদ রানাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এই আদেশের পর গত ৩০ সেপ্টেম্বর গৌছ উদ্দিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন না করার জন্য আদালতে আবেদন করেন তাঁর ভাই ও মামলার বাদী মো. রেজাউল করিম। সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানার আদালতে এই আবেদন করা হলে শুনানী শেষে বিচারক আবেদনটির নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। কোন আদেশ দেননি তিনি।

গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আবদুন নাসের জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা ৬ জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করলে আদালত অনুমতি দিয়েছেন। আদালতের আদেশের পর পরই জেলা প্রশাসন থেকে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই লাশগুলো যত দ্রুত সম্ভব কবর থেকে তোলা হবে। আমরা চেষ্টা করছি চার জন নয়, সম্ভব হলে এক সাথে ৬ জনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করতে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার উজ জামান গণমাধ্যমকে জানান, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আলোচনা করে সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে লাশ উত্তোলন করবেন।