সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ এনেভরতীয়দের হামলায় আহত হন চার বাংলাদেশী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া :
শুল্ক ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি দেখার জন্য ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকার পরও। ভারতীয়দের হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত আর খবর পাওয়া গেল।আহত করার পরও তাদেরকে দেয়া হয়নি কোন চিকিৎসা সেবা। নেওয়া হয়নি কোনো আইনি ব্যবস্থা। যা বাংলাদেশী নাগরিকের প্রতি ভারতীয়দের চরম নির্মমতা।

একটি সূত্র জানিয়েছে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কয়লা আনতে গেলে এমন ঘটনার শিকার হন তারা।

ভারতীয়রা চোরাকারবারির চোরাকারবাড়ির অভিযোগ এনে হামলা করেন ওই বাংলাদেশিদের ওপর। ভাও তোরা অসহায় অবস্থায় আইনি জটিলতার পড়তে পারে এমন সন্দেহে বাড়ি ফিরে সরকারি হাসপাতালে না গিয়ে গোপনে নিচ্ছে চিকিৎসা সেবা বলে জানা গেছে।

ভারতীয়দের হামলা শিকার হলেন- সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উওর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্তগ্রাম পুটিয়ার মঙলা মিয়ার ছেলে ফিরোজ মিয়া, পার্শ্ববর্তী লাকমা গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে সফিকুল ইসলাম, লাকমা বালুচরের ইসমাঈলের ছেলে কালা মিয়া, লাকমার আছমত আলীর ছেলে সাইদুল।


শুক্রবার রাত ০৮টার দিকে ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বালিয়াঘাট ও টেকেরঘাট বিজিবির কোম্পানী হেডকোয়ার্টারের মধ্যবর্তী দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বাংলাদেশ -ভারত মেইন পিলার ১১৯৮ এর ওয়ান-টু এস সাব পিলারের ওপারে ভারতের মেঘালয় ষ্টেইটের বড়ছড়া গারো বস্থির নিচে ওই চার কয়লা শ্রমিক কে৩০ থেকে ৩৫ জন সংঘবদ্ধ ভারতীয় নাগরিক বেধরকভাবে গণপিটুনি দিয়ে আহত করে। গণপিটুনিতে মাথা, হাত পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তার্থ জখম হলে পাহাড়ের বস্তির নিচে ফেলে রাখার পর সুযোগ বুঝে কোন রকম কৌশলে প্রাণ নিয়ে তারা বাংলাদেশে অভ্যন্তরে ফিরে এসে উপজেলার লাকমা বাজারের পল্লী চিকিৎসকের নিকট ওই রাত ১০টার দিকে গোপনে চিকিৎসাসেবা গ্রহন করেন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহত ফিরোজ মিয়া বলেন, শুক্রবার রাত ০৮টার দিকে কয়লা আনতে গেলে ৩০ থেকে ৩৫ জন ভারতীয় নাগরিক সংঘবদ্ধ হয়ে আমাকে ও আমার সাথে থাকা কালা মিয়া, সাইদুল ও সফিকুলকে বেধরকভাবে পিটিয়ে রক্তার্থ জখম করে গারো বস্তির নিচে ফেলে রাখে। এরপর পালিয়ে এসে আমরা উপজেলার লাকমা বাজারের থাকা লেদারবন্দ গ্রামের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক সফিকের ফার্মেসীতে গোপনে চিকিৎসা গ্রহন করি। উপজেলার লাকমা বাজারের থাকা লেদারবন্দ গ্রামের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক সফিকের নিকট জানতে চাইলে তিনি নিজেও স্বীকার করেন,শুক্রবার রাতে ফিরোজসহ আহত চারজনকে মাথায় সেলাই প্রদান ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।


২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বালিয়াঘাট বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আনোয়ার হোসেন জানান, আমি লোকমুখে ঘটনাটি শুনেছি, তবে ভারতের পাহাড়ে যে গারো বস্তির নিচে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি টেকেরঘাট বিজিবি’র কোম্পানী হেডকোয়ার্টারের দায়িত্বপূণ এলাকার ওপারে। ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের – টেকেরঘাট বিজিবি’র কোম্পানী হেডকোয়ার্টারের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার উবায়দুর রহমান জানান, হ্যা এমন একটি ঘটনা শুনেছি লোকমুখে।

উল্লেখ্য হামলায় আহতরা কি আসলেই চোরাকারবারী নাকি বাংলাদেশী জেনে অন্য কোন রেসে হামলা শিকার হয়েছেন তারা এমনটাই এখন প্রশ্ন। চোরাকারবারি হয়ে থাকলে হামলা করে ছেলে দেখা কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? এমন সব প্রশ্নের জবাব পাচ্ছে না কেউই ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ এনেভরতীয়দের হামলায় আহত হন চার বাংলাদেশী

আপডেট সময় : ০৪:১৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া :
শুল্ক ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি দেখার জন্য ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকার পরও। ভারতীয়দের হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত আর খবর পাওয়া গেল।আহত করার পরও তাদেরকে দেয়া হয়নি কোন চিকিৎসা সেবা। নেওয়া হয়নি কোনো আইনি ব্যবস্থা। যা বাংলাদেশী নাগরিকের প্রতি ভারতীয়দের চরম নির্মমতা।

একটি সূত্র জানিয়েছে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কয়লা আনতে গেলে এমন ঘটনার শিকার হন তারা।

ভারতীয়রা চোরাকারবারির চোরাকারবাড়ির অভিযোগ এনে হামলা করেন ওই বাংলাদেশিদের ওপর। ভাও তোরা অসহায় অবস্থায় আইনি জটিলতার পড়তে পারে এমন সন্দেহে বাড়ি ফিরে সরকারি হাসপাতালে না গিয়ে গোপনে নিচ্ছে চিকিৎসা সেবা বলে জানা গেছে।

ভারতীয়দের হামলা শিকার হলেন- সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উওর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্তগ্রাম পুটিয়ার মঙলা মিয়ার ছেলে ফিরোজ মিয়া, পার্শ্ববর্তী লাকমা গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে সফিকুল ইসলাম, লাকমা বালুচরের ইসমাঈলের ছেলে কালা মিয়া, লাকমার আছমত আলীর ছেলে সাইদুল।


শুক্রবার রাত ০৮টার দিকে ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বালিয়াঘাট ও টেকেরঘাট বিজিবির কোম্পানী হেডকোয়ার্টারের মধ্যবর্তী দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বাংলাদেশ -ভারত মেইন পিলার ১১৯৮ এর ওয়ান-টু এস সাব পিলারের ওপারে ভারতের মেঘালয় ষ্টেইটের বড়ছড়া গারো বস্থির নিচে ওই চার কয়লা শ্রমিক কে৩০ থেকে ৩৫ জন সংঘবদ্ধ ভারতীয় নাগরিক বেধরকভাবে গণপিটুনি দিয়ে আহত করে। গণপিটুনিতে মাথা, হাত পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তার্থ জখম হলে পাহাড়ের বস্তির নিচে ফেলে রাখার পর সুযোগ বুঝে কোন রকম কৌশলে প্রাণ নিয়ে তারা বাংলাদেশে অভ্যন্তরে ফিরে এসে উপজেলার লাকমা বাজারের পল্লী চিকিৎসকের নিকট ওই রাত ১০টার দিকে গোপনে চিকিৎসাসেবা গ্রহন করেন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহত ফিরোজ মিয়া বলেন, শুক্রবার রাত ০৮টার দিকে কয়লা আনতে গেলে ৩০ থেকে ৩৫ জন ভারতীয় নাগরিক সংঘবদ্ধ হয়ে আমাকে ও আমার সাথে থাকা কালা মিয়া, সাইদুল ও সফিকুলকে বেধরকভাবে পিটিয়ে রক্তার্থ জখম করে গারো বস্তির নিচে ফেলে রাখে। এরপর পালিয়ে এসে আমরা উপজেলার লাকমা বাজারের থাকা লেদারবন্দ গ্রামের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক সফিকের ফার্মেসীতে গোপনে চিকিৎসা গ্রহন করি। উপজেলার লাকমা বাজারের থাকা লেদারবন্দ গ্রামের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক সফিকের নিকট জানতে চাইলে তিনি নিজেও স্বীকার করেন,শুক্রবার রাতে ফিরোজসহ আহত চারজনকে মাথায় সেলাই প্রদান ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।


২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বালিয়াঘাট বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আনোয়ার হোসেন জানান, আমি লোকমুখে ঘটনাটি শুনেছি, তবে ভারতের পাহাড়ে যে গারো বস্তির নিচে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি টেকেরঘাট বিজিবি’র কোম্পানী হেডকোয়ার্টারের দায়িত্বপূণ এলাকার ওপারে। ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের – টেকেরঘাট বিজিবি’র কোম্পানী হেডকোয়ার্টারের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার উবায়দুর রহমান জানান, হ্যা এমন একটি ঘটনা শুনেছি লোকমুখে।

উল্লেখ্য হামলায় আহতরা কি আসলেই চোরাকারবারী নাকি বাংলাদেশী জেনে অন্য কোন রেসে হামলা শিকার হয়েছেন তারা এমনটাই এখন প্রশ্ন। চোরাকারবারি হয়ে থাকলে হামলা করে ছেলে দেখা কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? এমন সব প্রশ্নের জবাব পাচ্ছে না কেউই ।