সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটসহ সারা দেশে গণপরিবহনের জন্য নির্দেশ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত বাধ্যতামূলক নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল

সিলেটে নাগরিক আলেম সমাজের ‘গণধিক্কার’ কর্মসূচি পালন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪ ১২৬ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

গণহত্যা, ছাত্রজনতার আন্দোলনে নির্বিচার গুলি, গণগ্রেপ্তার ও নির্যাতন’র প্রতিবাদে সিলেটে পালিত হয়েছে ‘গণধিক্কার’ কর্মসূচি। শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে নগরের বন্দরবাজার এলাকায় ‘নাগরিক আলেমসমাজ’-এর উদ্যোগে এ আয়োজনে সর্বস্তরের ছাত্রজনতা ও আলেমরা অংশ নেন। কর্মসূচি থেকে সকল হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও আন্তর্জাতিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়।

সমন্বয়ক মুতিউল মুরসালিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখানে নাগরিক আলেম সমাজের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক নোমান বিন আরমান, সমন্বয়ক মাওলানা হাসান ফয়েজ, লেখক হক নাওয়াজ, লেখক হুসাইন ফাহিম, মাওলানা আদিব আহমদ, লেখক কবির আহমদ খান ছাত্রনেতা আবু তাহের। এছাড়াও কর্মসূচিতে একাত্মতা জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল্লাহ মনসুর, মাওলানা আলাউদ্দিন, মাওলানা আসলাম ফুয়াদ, মিনহাজুস সিরাজ, মাওলানা আমজাদ আহমদ, মাওলানা আরিফুর রশিদ, সংগঠক যুবায়ের মুহাম্মদ, ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ নোমান, আরশাদ শামসী, নুর উদ্দিন নোমান, যায়েদ রাহমান, মুজিবুর রহমান খান প্রমূখ।

গণধিক্কারে প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক নোমান বিন আরমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ছাত্রজনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। ঘরের মধ্যে থাকা নিষ্পাপ শিশুদের জীবন গিয়েছে সরকারি বাহিনীর বুলেটে। ঘর থেকে রাজপথ কোথাও নিরাপদ নয় মানুষ। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বলেন তাঁর দোষটা কী! এতগুলো মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীন কথাবার্তার কারণে তাঁর শাসনের প্রতি জনগণের বুকে দ্রোহ আর ধিক্কার জন্ম নিয়েছে। অনিরাপদ অবস্থায় একটি দেশ চলতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার দম্ভ ও অবহেলায় পরিস্থিতি সামলানোর সকল সুযোগ হাতছাড়া করেছে। এখন গণহত্যার দায় অবিলম্ব পদত্যাগ করে জনতার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। কর্মসূচি থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ন্যায্য সকল দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে সকল হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা ও আন্তর্জাতিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করে নাগরিক আলেমসমাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে নাগরিক আলেম সমাজের ‘গণধিক্কার’ কর্মসূচি পালন

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

গণহত্যা, ছাত্রজনতার আন্দোলনে নির্বিচার গুলি, গণগ্রেপ্তার ও নির্যাতন’র প্রতিবাদে সিলেটে পালিত হয়েছে ‘গণধিক্কার’ কর্মসূচি। শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে নগরের বন্দরবাজার এলাকায় ‘নাগরিক আলেমসমাজ’-এর উদ্যোগে এ আয়োজনে সর্বস্তরের ছাত্রজনতা ও আলেমরা অংশ নেন। কর্মসূচি থেকে সকল হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও আন্তর্জাতিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়।

সমন্বয়ক মুতিউল মুরসালিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখানে নাগরিক আলেম সমাজের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক নোমান বিন আরমান, সমন্বয়ক মাওলানা হাসান ফয়েজ, লেখক হক নাওয়াজ, লেখক হুসাইন ফাহিম, মাওলানা আদিব আহমদ, লেখক কবির আহমদ খান ছাত্রনেতা আবু তাহের। এছাড়াও কর্মসূচিতে একাত্মতা জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল্লাহ মনসুর, মাওলানা আলাউদ্দিন, মাওলানা আসলাম ফুয়াদ, মিনহাজুস সিরাজ, মাওলানা আমজাদ আহমদ, মাওলানা আরিফুর রশিদ, সংগঠক যুবায়ের মুহাম্মদ, ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ নোমান, আরশাদ শামসী, নুর উদ্দিন নোমান, যায়েদ রাহমান, মুজিবুর রহমান খান প্রমূখ।

গণধিক্কারে প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক নোমান বিন আরমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ছাত্রজনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। ঘরের মধ্যে থাকা নিষ্পাপ শিশুদের জীবন গিয়েছে সরকারি বাহিনীর বুলেটে। ঘর থেকে রাজপথ কোথাও নিরাপদ নয় মানুষ। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বলেন তাঁর দোষটা কী! এতগুলো মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীন কথাবার্তার কারণে তাঁর শাসনের প্রতি জনগণের বুকে দ্রোহ আর ধিক্কার জন্ম নিয়েছে। অনিরাপদ অবস্থায় একটি দেশ চলতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার দম্ভ ও অবহেলায় পরিস্থিতি সামলানোর সকল সুযোগ হাতছাড়া করেছে। এখন গণহত্যার দায় অবিলম্ব পদত্যাগ করে জনতার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। কর্মসূচি থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ন্যায্য সকল দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে সকল হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা ও আন্তর্জাতিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করে নাগরিক আলেমসমাজ।