সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটসহ সারা দেশে গণপরিবহনের জন্য নির্দেশ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত বাধ্যতামূলক নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল

সিলেট বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বন্যার পর সিলেটে নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন। সিলেটের বাজারগুলোতে দিন দিন বেড়েছে সবজির দাম। শুধু সবজি না, সেই সঙ্গে মাছ, গরু ও মুরগির মাংসের দামও সাধ্যের বাহিরে। ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে কিছুতেই শান্তিতে নেই নগরবাসী। দাম কমার কোনো লক্ষন নেই। সব মিলিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষ। প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা সরবরাহ সংকটকে দায়ী করছেন। সিলেট মগানগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দামে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে সুবহানীঘাট সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। যা এক সাপ্তাহ আগেও ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া টমেটো ৯০ টাকা কেজি, ঢেরস ২৫ টাকা, পটল কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা পিস। এদিকে চলতি সপ্তাহেও কমেনি আলু ও পেঁয়াজের দাম।

এ ছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা করে। আর তেলাপিয়া মাছ ২৮০ টাকা, চিংড়ি ৬২০-৭০০ টাকা, শিং ৩২০-৫০০ টাকা এবং ইলিশ সাইজ ভেদে ১২০০ থেকে ১৬৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।কমেনি ব্রয়লার, সোনালি, পাকিস্তানি এবং লাল মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা জানান, সিলেটে বন্যার কারণে অনেক সবজি বাগান নষ্ট হয়েগেছে। যার কারণে বর্তমানে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কম। তবে চাহিদা বেশি। তাই দাম একটু বেশি। সামনে জিনিসপত্রের দাম কমবে কি না এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।

ক্রেতারা বলেন, বাজারে যে টাকা নিয়ে এসেছিলাম, তা দিয়ে মনে হয় না অর্ধেক বাজার করতে পারব। আমাদের সাধারণ মানুষের কথা তো কেউ ভাবে না। প্রতিবছর নতুন নতুন বাজেট আসবে, কিন্তু আমাদের একটু স্বস্তি আসবে কবে? আমরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি, সেটা দেখারও কেউ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি

আপডেট সময় : ০৫:২০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বন্যার পর সিলেটে নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন। সিলেটের বাজারগুলোতে দিন দিন বেড়েছে সবজির দাম। শুধু সবজি না, সেই সঙ্গে মাছ, গরু ও মুরগির মাংসের দামও সাধ্যের বাহিরে। ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে কিছুতেই শান্তিতে নেই নগরবাসী। দাম কমার কোনো লক্ষন নেই। সব মিলিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষ। প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা সরবরাহ সংকটকে দায়ী করছেন। সিলেট মগানগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দামে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে সুবহানীঘাট সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। যা এক সাপ্তাহ আগেও ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া টমেটো ৯০ টাকা কেজি, ঢেরস ২৫ টাকা, পটল কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা পিস। এদিকে চলতি সপ্তাহেও কমেনি আলু ও পেঁয়াজের দাম।

এ ছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা করে। আর তেলাপিয়া মাছ ২৮০ টাকা, চিংড়ি ৬২০-৭০০ টাকা, শিং ৩২০-৫০০ টাকা এবং ইলিশ সাইজ ভেদে ১২০০ থেকে ১৬৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।কমেনি ব্রয়লার, সোনালি, পাকিস্তানি এবং লাল মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা জানান, সিলেটে বন্যার কারণে অনেক সবজি বাগান নষ্ট হয়েগেছে। যার কারণে বর্তমানে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কম। তবে চাহিদা বেশি। তাই দাম একটু বেশি। সামনে জিনিসপত্রের দাম কমবে কি না এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।

ক্রেতারা বলেন, বাজারে যে টাকা নিয়ে এসেছিলাম, তা দিয়ে মনে হয় না অর্ধেক বাজার করতে পারব। আমাদের সাধারণ মানুষের কথা তো কেউ ভাবে না। প্রতিবছর নতুন নতুন বাজেট আসবে, কিন্তু আমাদের একটু স্বস্তি আসবে কবে? আমরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি, সেটা দেখারও কেউ নেই।