সিলেটে সংস্কৃতি-যাত্রার ৩০ বছর উদযাপন করলো ‘চারুবাক’
- আপডেট সময় : ১০:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিলেটে সাংস্কৃতিক সংগঠন চারুবাকের আয়োজনে প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিশেষ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
“আগে মানুষ হই – Be Human First” স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বসন্তের বিদায় ও বৈশাখের আগমনকে কেন্দ্র করে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি, গল্পবলা ও ধামাইল সহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপিত হয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব মি. রাজেশ ভাটিয়া। তিনি চারুবাকের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে সকল সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ভারতীয় সহকারী হাইকামিশনের সহযোগিতা ও সমর্থনে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেস ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
তিনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষ হওয়ার তাৎপর্য তুলে ধরে চারুবাককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন- কাউন্সিলর, নারীনেত্রী ও সমাজসেবক সাবিনা খান, সিলেট জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ, প্রফেসর হিমাদ্রী শেখর রায়, সমাজসেবক জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার, লেখক ও গবেষক অপূর্ব শর্মা ও আবৃত্তিকার সালেহ আহমেদ খসরুসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, মানবিক, উদার ও আলোকিত সমাজ গঠনে সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই। চারুবাক দীর্ঘ তিন দশক ধরে সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে, যা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
আয়োজকেরা জানান, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে চারুবাকের ৩০ বছরের পথচলা আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছে এবং ভবিষ্যতেও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করে যাবে।
ফাইজা কোরেশী ও তিতাস দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সবশেষে দর্শক, অতিথি ও শিল্পীরা মিলে ধামাইল নৃত্যে আনন্দ উপভোগ করেন।
উপস্থিত সকল অতিথিদের কৃতজ্ঞতা জানান সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বাচিকশিল্পী ও প্রশিক্ষক জয়তি ভট্টাচার্য এবং লেখক ও প্রামাণ্যকার নিরঞ্জন দে।


























