হাসিনা পরিবারের সদস্যদের প্লট বরাদ্দ তদন্তে কমিটি
- আপডেট সময় : ১০:১৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
ভারত পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের ৬ সদস্যদের নামে ২০০৯-২০২৪ সাল পর্যন্ত পূর্বাচলে বরাদ্দকৃত প্লটসহ রাজউকের সকল অবৈধ বরাদ্দ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সাবেক বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে চার মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী আবেদনকারী হয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর রিটটি করেন।
রাজউকের প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দের বৈধতা নিয়ে করা এই রিটে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতিকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
গতকাল বুধবার রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ আদেশের জন্য দিন রাখেন হাইকোর্ট।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে আইনজীবী মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দীন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।
পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১২০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্তসচিবকে আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
নিলামে উঠছে এমপি কোটার ২৪ গাড়ি

সংসদ সদস্য পদ চলে যাওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে ছাড় না করায় এ চালানের ১৫টি গাড়ি নিলামে বিক্রির জন্য কাস্টমসের কাছে বাই-পেপার হস্তান্তর করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
এমপি কোটায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় ২৮৮ কোটি টাকা মূল্যের ২৪টি ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি আনা হয়েছিল।
চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর এ গাড়িগুলো নিয়ে আসা হয়েছিল বন্দরের কার শেডে। আইন অনুযায়ী ৩০ দিন অর্থাৎ ১৪ অক্টোবরের মধ্যে আমদানিকারক এসব গাড়ি ছাড় করেনি।
মূলত দ্বাদশ সংসদের সদস্যরাই শুল্কমুক্ত সুবিধায় এসব গাড়ি আমদানি করেছিলেন। কিন্তু ছাড় করার আগেই ছাত্র আন্দোলনে সংসদ ভেঙে যাওয়ায় এমপিরা এ শুল্কমুক্ত সুবিধার সুযোগ নিতে ব্যর্থ হন। ৮৫০ শতাংশ শুল্কহার হিসাবে প্রতিটি গাড়ির বাজার মূল্য ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা হলেও সংসদ সদস্যরা মাত্র এক কোটি ৩০ লাখ টাকায় মূল্যবান এসব গাড়ির মালিক হওয়ার সুযোগ পেতেন।
এরই মধ্যে ১৫টি ল্যান্ড ক্রুজারসহ শুল্কমুক্ত সুবিধায় সাবেক এমপিদের আনা অন্তত ২৪টি গাড়ির নিলাম সংক্রান্ত কাগজ রয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের নিলাম শাখায়। সবশেষ বুধবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বন্দর থেকে কাস্টমসের নিলাম শাখায় এসেছে ১৮টি গাড়ির নথিপত্র।
আর জটিলতা এড়াতে ৬টি গাড়ির নিলামে তোলার আগে বিধি অনুযায়ী মতামত চাওয়া হয়েছে আমদানিকারকের। ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং ব্যারিস্টার সুমনসহ ৭ জন তৎকালীন সংসদ সদস্য জুলাই মাসেই গাড়ি ছাড় করে নেয়ায় নিলাম থেকে বেঁচে গেছেন।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, ৬ গাড়ির আমদানিকারকদের চিঠি দেয়া হয়েছে। তারা চিঠির জবাব না দিলে এ গাড়িগুলোও নিলামের প্রক্রিয়ায় যাবে।


























