সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

আন্দোলন দমাতে ১৪ দলের বৈঠক, কী পরামর্শ দিয়েছিলেন বাম নেতারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

২৯ জুলাই ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক, যেখানে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে জুলাইয়ের মাঝামাঝি এসে আন্দোলন জোরদার হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি গত ১৯ জুলাই বৈঠক করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। বৈঠকে আন্দোলন দমাতে বিভিন্ন জন বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

জানা যায়, কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন তখন তুঙ্গে। সেই আন্দোলনের প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ বাড়তে শুরু করে। আন্দোলন দমাতে সরকারি কোনো কৌশলই কাজে আসছিল না। এমনই পটভূমিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলীয় নেতাদের সঙ্গে ওই বৈঠকে বসেন। 

১৯ জুলাই গণভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নেতারা বিভক্ত হয়ে পড়েন। বামঘেঁষা দু’জন নেতা বলেন, ছাত্রদের এই আন্দোলন মার্কিন ষড়যন্ত্র। তাই এটাকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। দেশব্যাপী সেনা মোতায়েন ও  কারফিউ জারি করতে হবে। বাকিদের বেশিরভাগই রাজনৈতিকভাবে সমাধানের পথ খুঁজতে পরামর্শ দেন। কেউ কেউ আলোচনার কথাও বলেন।

তখন পাশের রুমে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা অপেক্ষা করছিলেন। শেখ হাসিনা হার্ডলাইনে যাওয়ার পক্ষেই মত দেন। বলেন, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। এখানেই শেষ করে দিতে হবে। দেশব্যাপী কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত দেন। যেখানেই মিছিল সেখানেই গুলি করার নির্দেশনাও আসে। 

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আপনাদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখছি। তখনই সেনা মোতায়েন ও কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আন্দোলন দমাতে ১৪ দলের বৈঠক, কী পরামর্শ দিয়েছিলেন বাম নেতারা

আপডেট সময় : ১০:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

২৯ জুলাই ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক, যেখানে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে জুলাইয়ের মাঝামাঝি এসে আন্দোলন জোরদার হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি গত ১৯ জুলাই বৈঠক করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। বৈঠকে আন্দোলন দমাতে বিভিন্ন জন বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

জানা যায়, কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন তখন তুঙ্গে। সেই আন্দোলনের প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ বাড়তে শুরু করে। আন্দোলন দমাতে সরকারি কোনো কৌশলই কাজে আসছিল না। এমনই পটভূমিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলীয় নেতাদের সঙ্গে ওই বৈঠকে বসেন। 

১৯ জুলাই গণভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নেতারা বিভক্ত হয়ে পড়েন। বামঘেঁষা দু’জন নেতা বলেন, ছাত্রদের এই আন্দোলন মার্কিন ষড়যন্ত্র। তাই এটাকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। দেশব্যাপী সেনা মোতায়েন ও  কারফিউ জারি করতে হবে। বাকিদের বেশিরভাগই রাজনৈতিকভাবে সমাধানের পথ খুঁজতে পরামর্শ দেন। কেউ কেউ আলোচনার কথাও বলেন।

তখন পাশের রুমে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা অপেক্ষা করছিলেন। শেখ হাসিনা হার্ডলাইনে যাওয়ার পক্ষেই মত দেন। বলেন, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। এখানেই শেষ করে দিতে হবে। দেশব্যাপী কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত দেন। যেখানেই মিছিল সেখানেই গুলি করার নির্দেশনাও আসে। 

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আপনাদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখছি। তখনই সেনা মোতায়েন ও কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত হয়।