সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

এটি কোনো সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন প্রতিবেদক ঢাকা :

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা জায়গায় হামলার প্রতিবাদে সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকেরা।প্রথম আলো

‘মাল্টিপ্লেক্স, সিনেমা হল, শিশু একাডেমি, পাঠাগার, ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোয় হামলা ও ভাঙচুর করে আমাদের আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে পিছিয়ে দেবেন না। এই অঙ্গন পিছিয়ে গেলে দেশ পিছিয়ে যাবে। নতুন বাংলাদেশে আমরা এসব দেখতে চাই না। প্রশাসনকে এখনই এর লাগাম টানতে হবে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা জায়গায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ কথা বলেন সাংবাদিকেরা।

সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন হয় এফডিসির সামনে। এই প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিনোদন সাংবাদিকেরা। সমাবেশের শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সাংবাদিক আলী আফতাব বলেন, ‘প্রায় এক দশক ধরেই সিনেমার দিন ভালো যাচ্ছিল না। কিছুদিন হলো সিনেমা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। এর মধ্যেই মাল্টিপ্লেক্স, সিনেমা হলে হামলা হয়েছে। সিনেমা হল না থাকলে সিনেমা থাকবে না। এখনই হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে আরও এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে। এই ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে অংশ নেওয়া রাহুল আনন্দের গানের স্টুডিওতেও হামলা করে শত শত বাদ্যযন্ত্র ভেঙে, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই। এটি কোনো সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না।’

অনিন্দ্য মামুন বলেন, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের হাত ধরে আজ যে স্বাধীনতা এসেছে, এটাকে একটি কুচক্রী মহল বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মাল্টিপ্লেক্স, সিনেমা হল ও দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাণ্ডব চালিয়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। শিশু একাডেমি, পাঠাগারে হামলা করছে। এটি কোনো সুস্থ বিবেকবান মানুষের কাজ নয়। এটাকে প্রতিহত করতে হবে।

সায়মা স্মৃতি বলেন, যারা সিনেমা হল, মাল্টিপ্লেক্স, পাঠাগার, শিশু একাডেমির মতো জায়গাগুলোয় হামলা–ভাঙচুর করছে, তারা নির্লজ্জের মতো এসব কাজ করছে। তারা নতুন বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। প্রশাসন এখনই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মাকসুদুল হকের সঞ্চালনায় এই প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন প্রতীক আকবর, জাহিদ আকবর, নাজমুল আলম, বুলবুল আহমেদ, আল কাছির, পান্থ আফজাল, রাজন হাসান, এন আই বুলবুল, নাহিয়ান ইমন, শাহরিন মাহফুজা, তামিম হাসান, নিথর মাহবুব, মারজান ইভান, বুলবুল ফাহিম, মেহেরা রহমান ও শফিক আল মামুন।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা জায়গায় হামলার প্রতিবাদে সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকেরা।

এর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) ক্যানটিনের সামনে থেকে সাংবাদিকেরা একটি মৌন মিছিল বের করে। মিছিলটি এফডিসির বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এটি কোনো সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না’

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪

বিনোদন প্রতিবেদক ঢাকা :

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা জায়গায় হামলার প্রতিবাদে সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকেরা।প্রথম আলো

‘মাল্টিপ্লেক্স, সিনেমা হল, শিশু একাডেমি, পাঠাগার, ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোয় হামলা ও ভাঙচুর করে আমাদের আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে পিছিয়ে দেবেন না। এই অঙ্গন পিছিয়ে গেলে দেশ পিছিয়ে যাবে। নতুন বাংলাদেশে আমরা এসব দেখতে চাই না। প্রশাসনকে এখনই এর লাগাম টানতে হবে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা জায়গায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ কথা বলেন সাংবাদিকেরা।

সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন হয় এফডিসির সামনে। এই প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিনোদন সাংবাদিকেরা। সমাবেশের শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সাংবাদিক আলী আফতাব বলেন, ‘প্রায় এক দশক ধরেই সিনেমার দিন ভালো যাচ্ছিল না। কিছুদিন হলো সিনেমা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। এর মধ্যেই মাল্টিপ্লেক্স, সিনেমা হলে হামলা হয়েছে। সিনেমা হল না থাকলে সিনেমা থাকবে না। এখনই হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে আরও এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে। এই ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে অংশ নেওয়া রাহুল আনন্দের গানের স্টুডিওতেও হামলা করে শত শত বাদ্যযন্ত্র ভেঙে, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই। এটি কোনো সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না।’

অনিন্দ্য মামুন বলেন, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের হাত ধরে আজ যে স্বাধীনতা এসেছে, এটাকে একটি কুচক্রী মহল বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মাল্টিপ্লেক্স, সিনেমা হল ও দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাণ্ডব চালিয়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। শিশু একাডেমি, পাঠাগারে হামলা করছে। এটি কোনো সুস্থ বিবেকবান মানুষের কাজ নয়। এটাকে প্রতিহত করতে হবে।

সায়মা স্মৃতি বলেন, যারা সিনেমা হল, মাল্টিপ্লেক্স, পাঠাগার, শিশু একাডেমির মতো জায়গাগুলোয় হামলা–ভাঙচুর করছে, তারা নির্লজ্জের মতো এসব কাজ করছে। তারা নতুন বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। প্রশাসন এখনই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মাকসুদুল হকের সঞ্চালনায় এই প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন প্রতীক আকবর, জাহিদ আকবর, নাজমুল আলম, বুলবুল আহমেদ, আল কাছির, পান্থ আফজাল, রাজন হাসান, এন আই বুলবুল, নাহিয়ান ইমন, শাহরিন মাহফুজা, তামিম হাসান, নিথর মাহবুব, মারজান ইভান, বুলবুল ফাহিম, মেহেরা রহমান ও শফিক আল মামুন।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা জায়গায় হামলার প্রতিবাদে সচেতন চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকেরা।

এর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) ক্যানটিনের সামনে থেকে সাংবাদিকেরা একটি মৌন মিছিল বের করে। মিছিলটি এফডিসির বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।