সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

সব আদালতের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) চলাকালে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম ও আপিল বিভাগের সব দপ্তর ও শাখা বন্ধ থাকবে। তবে প্রধান বিচারপতি জরুরি বিষয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট (আগামীকাল সোমবার) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগ ও দেশের সব অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞার সই করা পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনাসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

হাইকোর্ট বিভাগে কার্যক্রম বন্ধ প্রসঙ্গে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতি যেকোনো সময় জরুরি বেঞ্চ গঠন করে বিচারকাজ পরিচালনার আদেশ দেবেন।

অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালগুলোর কার্যক্রম বন্ধ প্রসঙ্গে অপর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতি যেকোনো সময় যেকোনো আদালতকে বিচারকাজ পরিচালনার আদেশ দেবেন। এ ক্ষেত্রে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সব আদালতের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) চলাকালে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম ও আপিল বিভাগের সব দপ্তর ও শাখা বন্ধ থাকবে। তবে প্রধান বিচারপতি জরুরি বিষয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট (আগামীকাল সোমবার) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগ ও দেশের সব অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞার সই করা পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনাসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

হাইকোর্ট বিভাগে কার্যক্রম বন্ধ প্রসঙ্গে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতি যেকোনো সময় জরুরি বেঞ্চ গঠন করে বিচারকাজ পরিচালনার আদেশ দেবেন।

অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালগুলোর কার্যক্রম বন্ধ প্রসঙ্গে অপর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতি যেকোনো সময় যেকোনো আদালতকে বিচারকাজ পরিচালনার আদেশ দেবেন। এ ক্ষেত্রে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।