সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে দুই ফুডস দোকানে অভিযান, জরিমানা-৩০ হাজার পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল সিলেটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় আবাসিক হোটেল সিলগালা, আটক ৫ সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক মাধবপুরে পুলিশের বড় অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু সিলেটের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা জিন্দাবাজারে নালায় আবর্জনা-পয়োবর্জ্য, স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেট সীমান্তে ৩৫ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

জাতীয় সংসদে প্রথম বক্তব্যে যা বললেন-ব্যারিস্টার সুমন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২০২ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় সংসদে গিয়ে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বক্তব্য রাখেন। 

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যখন আমার দেখা হয়, উনি আমাকে হেসে হেসে বলেছিলেন— তুমি তো ফেসবুকের মধ্য দিয়ে এমপি হয়ে গেছ।’ 

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করার ‘প্রোডাক্ট’ হচ্ছে ফেসবুক। ডিজিটাল বাংলাদেশ না হলে তিনি ফেসবুকে সাত মিলিয়ন ফলোয়ার (অনুসারী) তৈরি করতে পারতেন না। আলোচিত স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনি বলতেই পারেন যে আমি ফেসবুকের এমপি ঠিকই, কিন্তু আমাকে যিনি ফসল হিসেবে তুলেছেন— এটি জননেত্রী শেখ হাসিনা, আমাকে ফসল হিসেবে তুলেছেন।’

এই বক্তব্যকে টেবিল চাপড়ে স্বাগত জানান অন্য সংসদ সদস্যরা। অধিবেশন কক্ষে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও এ সময় হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।অনেকটা হাস্যরস করে সায়েদুল হক বলেন, সৌভাগ্য কি দুর্ভাগ্য তিনি জানেন না। তার আসন পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর সামনে (প্রধানমন্ত্রীর আসনের উল্টো দিকে পেছনের সারিতে)। তিনি সব দেখতে পান। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের আসন পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর চোখের সামনে। নড়াচড়া করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংসদের বাইরেও নড়তে পারব না, ভেতরেও পারছি না।তবে আমি ভয় পাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পেছনে যারা (সরকারি দলের সদস্য) বসছেন, তারা তো সকল ক্ষমতার উৎস, তাদের হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব সময় চোখে দেখতে পারেন না। তবে আমার বিশ্বাস— প্রধানমন্ত্রী আমাদের যেভাবে দেখবেন, পেছনে যারা আছেন, এদেরকেও যদি একটু চেক করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও হাসতে দেখা যায়।

সংসদে নিজের অবস্থান কী হবে, তা তুলে ধরে সায়েদুল হক বলেন, তিনি সরকারের বিরোধিতা করবেন। তবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ ও বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে সবাই এক ও অভিন্ন।সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করে সায়েদুল হক বলেন, হৃদয়ে দেশপ্রেম থাকলে টাকা কোনো সমস্যা না, এটা প্রমাণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এত সফলতার মধ্যেও কিছু সমস্যা আছে। দ্রব্যমূল্যের অবস্থা খুবই খারাপ। ব্যাংকগুলোর অবস্থা খুব খারাপ। টাকাপাচার কোনোভাবে রোধ করা যাচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে তিনি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় সংসদে প্রথম বক্তব্যে যা বললেন-ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় সংসদে গিয়ে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বক্তব্য রাখেন। 

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যখন আমার দেখা হয়, উনি আমাকে হেসে হেসে বলেছিলেন— তুমি তো ফেসবুকের মধ্য দিয়ে এমপি হয়ে গেছ।’ 

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করার ‘প্রোডাক্ট’ হচ্ছে ফেসবুক। ডিজিটাল বাংলাদেশ না হলে তিনি ফেসবুকে সাত মিলিয়ন ফলোয়ার (অনুসারী) তৈরি করতে পারতেন না। আলোচিত স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনি বলতেই পারেন যে আমি ফেসবুকের এমপি ঠিকই, কিন্তু আমাকে যিনি ফসল হিসেবে তুলেছেন— এটি জননেত্রী শেখ হাসিনা, আমাকে ফসল হিসেবে তুলেছেন।’

এই বক্তব্যকে টেবিল চাপড়ে স্বাগত জানান অন্য সংসদ সদস্যরা। অধিবেশন কক্ষে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও এ সময় হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।অনেকটা হাস্যরস করে সায়েদুল হক বলেন, সৌভাগ্য কি দুর্ভাগ্য তিনি জানেন না। তার আসন পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর সামনে (প্রধানমন্ত্রীর আসনের উল্টো দিকে পেছনের সারিতে)। তিনি সব দেখতে পান। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের আসন পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর চোখের সামনে। নড়াচড়া করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংসদের বাইরেও নড়তে পারব না, ভেতরেও পারছি না।তবে আমি ভয় পাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পেছনে যারা (সরকারি দলের সদস্য) বসছেন, তারা তো সকল ক্ষমতার উৎস, তাদের হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব সময় চোখে দেখতে পারেন না। তবে আমার বিশ্বাস— প্রধানমন্ত্রী আমাদের যেভাবে দেখবেন, পেছনে যারা আছেন, এদেরকেও যদি একটু চেক করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও হাসতে দেখা যায়।

সংসদে নিজের অবস্থান কী হবে, তা তুলে ধরে সায়েদুল হক বলেন, তিনি সরকারের বিরোধিতা করবেন। তবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ ও বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে সবাই এক ও অভিন্ন।সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করে সায়েদুল হক বলেন, হৃদয়ে দেশপ্রেম থাকলে টাকা কোনো সমস্যা না, এটা প্রমাণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এত সফলতার মধ্যেও কিছু সমস্যা আছে। দ্রব্যমূল্যের অবস্থা খুবই খারাপ। ব্যাংকগুলোর অবস্থা খুব খারাপ। টাকাপাচার কোনোভাবে রোধ করা যাচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে তিনি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন।