সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার সিলেটের পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীকে বদলী কাষ্টঘর সুইপার কলোনিতে সিসিক প্রশাসক 🚔 সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অভিযানে ৩২ ঘন্টায় ১৩৯ জন গ্রেফতার এবং ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ২১৯ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেরই হয় লাইসেন্স নেই, অথবা নবায়ন করা হয়নি। এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনিয়মের ছড়াছড়ি। বিভিন্ন অভিযোগ উঠে প্রায়ই। তাই তাদের জন্য বিশেষ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন সিলেটের সিভিল সার্জন। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অ্যাকশনের প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা।

সোমবার (২০ জুলাই) সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন সিলেটভিউর সাথে আলাপকালে এই  সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন।

সিলেটের অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সবসময় বিভিন্ন অভিযোগ উঠে। যথাযত ডাক্তার নার্স না থাকা, রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ইত্যাদি।

এসব অভিযোগ সাধারণত লাইসেন্স না থাকা বা নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেই বেশি উঠে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরে আছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সিলেটের কুখ্যাত ডিএমটি সেইফওয়ে হাসপাতালটি সিল করে দিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সিলেট জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত। এই হাসপাতালটি তাদের লাইসেন্সই দেখাতে পারেনি।

সিলেটের সিভিল সার্জন বলেন, নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আরও বড় পরিসরে আরো কঠোর অভিযান চালাবো। জনগনের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো হেলাফেলার সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে সিলেট জেলা ও মহানগর মিলিয়ে লাইসেন্সবিহীন বা লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি এরকম স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৬ থেকে ৩৯টি। এরমধ্যে মহানগর এলাকায় ১০টি ও এর বাইরের প্রতিষ্ঠান অন্তত ২৬টি। তবে এ পরিসংখ্যানের সত্যতা তাৎক্ষনিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সিভিলসার্জন জানিয়েছেন, হিসাবটি কাগজপত্র দেখলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা

আপডেট সময় : ০৫:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেরই হয় লাইসেন্স নেই, অথবা নবায়ন করা হয়নি। এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনিয়মের ছড়াছড়ি। বিভিন্ন অভিযোগ উঠে প্রায়ই। তাই তাদের জন্য বিশেষ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন সিলেটের সিভিল সার্জন। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অ্যাকশনের প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা।

সোমবার (২০ জুলাই) সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন সিলেটভিউর সাথে আলাপকালে এই  সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন।

সিলেটের অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সবসময় বিভিন্ন অভিযোগ উঠে। যথাযত ডাক্তার নার্স না থাকা, রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ইত্যাদি।

এসব অভিযোগ সাধারণত লাইসেন্স না থাকা বা নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেই বেশি উঠে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরে আছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সিলেটের কুখ্যাত ডিএমটি সেইফওয়ে হাসপাতালটি সিল করে দিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সিলেট জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত। এই হাসপাতালটি তাদের লাইসেন্সই দেখাতে পারেনি।

সিলেটের সিভিল সার্জন বলেন, নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আরও বড় পরিসরে আরো কঠোর অভিযান চালাবো। জনগনের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো হেলাফেলার সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে সিলেট জেলা ও মহানগর মিলিয়ে লাইসেন্সবিহীন বা লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি এরকম স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৬ থেকে ৩৯টি। এরমধ্যে মহানগর এলাকায় ১০টি ও এর বাইরের প্রতিষ্ঠান অন্তত ২৬টি। তবে এ পরিসংখ্যানের সত্যতা তাৎক্ষনিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সিভিলসার্জন জানিয়েছেন, হিসাবটি কাগজপত্র দেখলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।