সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

​সিলেট নগরের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি যানবাহন ও বাস কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর জরুরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের পর পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জের ধরে বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এ সময় টার্মিনালের বাস কাউন্টার ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং উভয়পক্ষকে নিয়ে বাস টার্মিনাল কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন।

বৈঠকে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফরে আসছেন। এই সফর সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন এই সফর সফল করতে দিনরাত কাজ করছি, তখন পরিবহন শ্রমিকদের এই সংঘর্ষ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।”

​তিনি অবিলম্বে ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। প্রশাসক আশ্বাস দেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর উভয়পক্ষকে নিয়ে পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী বিরোধ মিমাংসা করা হবে। তাঁর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মালিক ও শ্রমিক নেতারা যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে একমত হন।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ ঝুনু, মইনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হীরন মিয়া ও নাজিম লস্কর।
​আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ-সাদাপাথর বাস মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, মালিক সমিতি নেতা মুক্তার আহমদ, নূর মিয়া, জিতু মিয়া। শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবেদ সুলতান তারেক ও আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া জবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমুখ।

​নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সিসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির পর শ্রমিকরা শান্ত হলে বিকেলে কদমতলী এলাকায় পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত

আপডেট সময় : ০২:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

​সিলেট নগরের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি যানবাহন ও বাস কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর জরুরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের পর পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জের ধরে বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এ সময় টার্মিনালের বাস কাউন্টার ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং উভয়পক্ষকে নিয়ে বাস টার্মিনাল কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন।

বৈঠকে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফরে আসছেন। এই সফর সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন এই সফর সফল করতে দিনরাত কাজ করছি, তখন পরিবহন শ্রমিকদের এই সংঘর্ষ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।”

​তিনি অবিলম্বে ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। প্রশাসক আশ্বাস দেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর উভয়পক্ষকে নিয়ে পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী বিরোধ মিমাংসা করা হবে। তাঁর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মালিক ও শ্রমিক নেতারা যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে একমত হন।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ ঝুনু, মইনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হীরন মিয়া ও নাজিম লস্কর।
​আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ-সাদাপাথর বাস মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, মালিক সমিতি নেতা মুক্তার আহমদ, নূর মিয়া, জিতু মিয়া। শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবেদ সুলতান তারেক ও আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া জবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমুখ।

​নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সিসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির পর শ্রমিকরা শান্ত হলে বিকেলে কদমতলী এলাকায় পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।