সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া সোহেল তাজের স্মারকলিপিতে যা আছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেন সোহেল তাজ।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ (সোহেল তাজ) বলেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩ দফা দাবির স্মারকলিপি তুলে দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বস্থ করেছেন যে, এই তিন দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন হবে।’

বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত গণভবনের সামনে অবস্থান করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সংসদ অধিবেশন শেষে গণভবনে ফেরার পর ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে পাঠিয়ে তাকে গণভবনের ভেতরে ডেকে নেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার কাছে স্মারকলিপি তুলে দেন সোহেল তাজ।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শারমিন আহমদসহ গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিভিন্ন স্তরের কর্মী সমর্থকরা।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন গোল চত্বর থেকে গণভবন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে ৫টার দিকে গণভবনের সামনে যান তিনি।

গণভবনের সামনে কিছুক্ষণ লোকজন নিয়ে বসে থাকেন সোহেল তাজ। এ সময় তিনি বলেন, ‘তিন দফা দাবি নিয়ে এসেছি। আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাবিগুলো মেনে নেবেন।’

সোহেল তাজের দাবিগুলো হলো- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ায় ওই দিনকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা করা; ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা এবং জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বেসামরিক-সামরিক সংগঠক, পরিচালক, শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, অবদান ও জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১০ এপ্রিলও পদযাত্রা করে একই দাবিতে গণভবনে গিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন সোহেল তাজ।

মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় ৪ নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দিনটি জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া সোহেল তাজের স্মারকলিপিতে যা আছে

আপডেট সময় : ১০:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেন সোহেল তাজ।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ (সোহেল তাজ) বলেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩ দফা দাবির স্মারকলিপি তুলে দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বস্থ করেছেন যে, এই তিন দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন হবে।’

বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত গণভবনের সামনে অবস্থান করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সংসদ অধিবেশন শেষে গণভবনে ফেরার পর ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে পাঠিয়ে তাকে গণভবনের ভেতরে ডেকে নেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার কাছে স্মারকলিপি তুলে দেন সোহেল তাজ।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শারমিন আহমদসহ গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিভিন্ন স্তরের কর্মী সমর্থকরা।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন গোল চত্বর থেকে গণভবন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে ৫টার দিকে গণভবনের সামনে যান তিনি।

গণভবনের সামনে কিছুক্ষণ লোকজন নিয়ে বসে থাকেন সোহেল তাজ। এ সময় তিনি বলেন, ‘তিন দফা দাবি নিয়ে এসেছি। আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাবিগুলো মেনে নেবেন।’

সোহেল তাজের দাবিগুলো হলো- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ায় ওই দিনকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা করা; ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা এবং জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বেসামরিক-সামরিক সংগঠক, পরিচালক, শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, অবদান ও জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১০ এপ্রিলও পদযাত্রা করে একই দাবিতে গণভবনে গিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন সোহেল তাজ।

মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় ৪ নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দিনটি জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।