ইসি নিয়োগ আইন সংশোধন ছাড়াই সার্চ কমিটি গঠন
- আপডেট সময় : ০১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে নাম প্রস্তাব করতে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ কমিটিতে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে সভাপতি করা হয়েছে।
সদস্য হিসাবে আছেন হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিন্নাতুন নেছা তাহমিদা বেগম। বৃহস্পতিবার এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন সংশোধন না করেই এ সার্চ কমিটি গঠন করা হলো। ২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি পাশ হওয়া এ আইন নিয়ে তখন সমালোচনা করেছিল বিভিন্ন মহল। ওই আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি গঠন করা হলো। যদিও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন একটি আইনের খসড়া সরকারকে দিয়েছে।
জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, দুর্বল আইন (ইসি নিয়োগ আইন) দিয়েও সঠিক ব্যক্তিদের (সার্চ কমিটির সদস্যদের) দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। আইন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমন ব্যক্তিরাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা সম্মানিত ব্যক্তি, স্বনামধন্য ব্যক্তি। তাদের বিষয়ে কারও কোনো অভিযোগ নেই বা আস্থার সংকট নেই। আমরা আশাবাদী, তাদের মাধ্যমে সঠিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব পাব।
নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন সংস্কার প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আইন নিয়ে আমরা যেসব আলাপ-আলোচনা করেছি, তা সরকার জানে। আমরা যে খসড়া তৈরি করেছি, সেটা সরকারের কাছে আছে। সরকার কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেটা সরকারের এখতিয়ার।
খসড়া দেওয়ার পর বিদ্যমান আইনে সার্চ কমিটি গঠনে সরকারের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের কতগুলো বিবেচনা আছে, কতগুলো অগ্রাধিকার আছে।
অগ্রাধিকার হচ্ছে একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করা। এটাই আমাদের কাজ। আর সরকারের বহুমুখী বিবেচনা আছে, বহুমুখী দায়িত্ব আছে, বহু অংশীজনের মতের ভিত্তিতে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সরকার সেই সিদ্ধান্ত নিতেই পারে।
৫ সেপ্টেম্বর কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন পদত্যাগ করলে ইসি শূন্য হয়। ওই শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে সার্চ কমিটি গঠন করল সরকার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সার্চ কমিটি গঠনের ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিটি পদের বিপরীতে দুজন করে নাম সুপারিশ করবে। এজন্য রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠন থেকে নাম আহ্বান করতে পারবে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ন্যূনতম ৫০ বছর বয়সিরা নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে যোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবেন।


























