সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

ব্যারিস্টার সুমন ভিডিও বার্তায় যা বললেন,

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হককে গ্রেপ্তার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। তবে তাকে আপাতত পল্লবী থানায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাতে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ছাত্র হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনকে মিরপুর-৬ নম্বরে তার বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

এদিকে মিরপুর থানার ওসি বলেন, মিরপুর থানায় দায়ের হত্যা মামলায় সায়েদুল হক সুমনকে সোমবার মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মিরপুর থানা কম্পাউন্ডে সংস্কার কাজ চলায় ওই আসামিকে পল্লবী থানায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে। এর আগে রাত ১টা ২১ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। ওই ভিডিও বার্তার ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, আমি পুলিশের সাথে যাচ্ছি। দেখা হবে আদালতে। দোয়া করবেন সবাই।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রথমেই জানাতে চাই আমি দেশেই রয়েছি। ঢাকা শহরেই আছি। ৫ আগস্টের পর আমি কোথাও যায়নি। শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণে আমি গোপনে ছিলাম। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর অনেকেই আমাকে বলেছেন যে তুমি বিদেশে চলে যাও। কিন্তু আমি যায়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে যে আমি কোনো দিন দুর্নীতি করিনি। ঢাকা শহরে আমার কোনো প্লট ও ফ্লাট নেই। তারপরও কেন আমি দেশ ছেরে যাব। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমার নামে যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে তাহলে তা আইনের মাধ্যমে মোকাবিলা করব। যেহেতু আমি আইনজীবী, আইনের প্রতি আমার বিশ্বাস রয়েছে।

সুমন কোটাবিরোধী আন্দোলনের শুরুর দিকে ছাত্রদের পক্ষে কথা বললেও শেখ হাসিনার পতনে ছাত্র-জনতার এক দফা আন্দোলন শুরু হলে তিনি এর বিরোধীতা করেন। বিগত কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর অসঙ্গতি তুলে ধরে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। এক সময়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগে পদ পেলেও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে থানার ওসির দলীয় স্লোগান দেওয়ার সমালোচনা করে পদ হারান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যারিস্টার সুমন ভিডিও বার্তায় যা বললেন,

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার :

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হককে গ্রেপ্তার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। তবে তাকে আপাতত পল্লবী থানায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাতে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ছাত্র হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনকে মিরপুর-৬ নম্বরে তার বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

এদিকে মিরপুর থানার ওসি বলেন, মিরপুর থানায় দায়ের হত্যা মামলায় সায়েদুল হক সুমনকে সোমবার মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মিরপুর থানা কম্পাউন্ডে সংস্কার কাজ চলায় ওই আসামিকে পল্লবী থানায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে। এর আগে রাত ১টা ২১ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। ওই ভিডিও বার্তার ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, আমি পুলিশের সাথে যাচ্ছি। দেখা হবে আদালতে। দোয়া করবেন সবাই।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রথমেই জানাতে চাই আমি দেশেই রয়েছি। ঢাকা শহরেই আছি। ৫ আগস্টের পর আমি কোথাও যায়নি। শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণে আমি গোপনে ছিলাম। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর অনেকেই আমাকে বলেছেন যে তুমি বিদেশে চলে যাও। কিন্তু আমি যায়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে যে আমি কোনো দিন দুর্নীতি করিনি। ঢাকা শহরে আমার কোনো প্লট ও ফ্লাট নেই। তারপরও কেন আমি দেশ ছেরে যাব। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমার নামে যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে তাহলে তা আইনের মাধ্যমে মোকাবিলা করব। যেহেতু আমি আইনজীবী, আইনের প্রতি আমার বিশ্বাস রয়েছে।

সুমন কোটাবিরোধী আন্দোলনের শুরুর দিকে ছাত্রদের পক্ষে কথা বললেও শেখ হাসিনার পতনে ছাত্র-জনতার এক দফা আন্দোলন শুরু হলে তিনি এর বিরোধীতা করেন। বিগত কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর অসঙ্গতি তুলে ধরে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। এক সময়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগে পদ পেলেও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে থানার ওসির দলীয় স্লোগান দেওয়ার সমালোচনা করে পদ হারান তিনি।