সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান টুকের বাজারে সড়ক-ড্রেনেজ ও মসজিদ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকসুন্দর নগর গড়তে প্রতিটি ওয়ার্ডে হবে পরিকল্পিত উন্নয়ন নতুন রূপে আবারও খুলছে জালালাবাদ পার্ক রায়ের গ্রামে মন্দিরের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় মাইনর ক্রিকেট লীগে সিলেটের জার্সি উন্মোচন সিলেট থেকে আরও প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে আনা হবে—সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ২৪৮১ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মাধবপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে হুমকি-ভাঙচুরের অভিযোগ সিলেটে শুরু ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লীগ সিলেটে শুরু ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লীগ সিলেট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)‘র অভিযানে ১২০ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ০২ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি সভায় সিসিক প্রশাসক

সুরমার তীরে মোবাইল ব্যবসার পরিত্যক্ত সামগ্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

কদমতলীতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক
করলেন সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর কদমতলী দরিয়াশাহ মাজার সড়কের পাশে সুরমা নদীর তীরে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মোবাইল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিত্যক্ত সামগ্রীসহ অপচনশীল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কদমতলী এলাকার নদীতীর পরিদর্শন করে সুরমার তীরে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ সময় তিনি বলেন, “আমরা পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য একটি গ্রিন নগরী গড়ে তুলতে চাই। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বিশেষ করে পলিথিন ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে নদী, ছড়া ও ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে।”

সিসিক প্রশাসক বলেন, “গ্রিন নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হলে এর সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন নগরবাসী। তাই শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নয়, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”

তিনি বলেন, “ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। নদীর তীর, ছড়া বা ড্রেনে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে কেউ নদীর তীরে কিংবা ছড়া-ড্রেনে বর্জ্য ফেললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, “নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা এবং তাদের সর্বোচ্চ নাগরিকসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।”

এ সময় তিনি জানান, নগরীর শাহজালাল সেতুর পাশে থাকা খালি জায়গায় একটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে ওই এলাকার শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে এবং অব্যবহৃত জায়গাটি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

এ সময় সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুরমার তীরে মোবাইল ব্যবসার পরিত্যক্ত সামগ্রী

আপডেট সময় : ১১:২১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কদমতলীতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক
করলেন সিসিক প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর কদমতলী দরিয়াশাহ মাজার সড়কের পাশে সুরমা নদীর তীরে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মোবাইল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিত্যক্ত সামগ্রীসহ অপচনশীল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কদমতলী এলাকার নদীতীর পরিদর্শন করে সুরমার তীরে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ সময় তিনি বলেন, “আমরা পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য একটি গ্রিন নগরী গড়ে তুলতে চাই। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বিশেষ করে পলিথিন ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে নদী, ছড়া ও ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে।”

সিসিক প্রশাসক বলেন, “গ্রিন নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হলে এর সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন নগরবাসী। তাই শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নয়, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”

তিনি বলেন, “ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। নদীর তীর, ছড়া বা ড্রেনে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে কেউ নদীর তীরে কিংবা ছড়া-ড্রেনে বর্জ্য ফেললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, “নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা এবং তাদের সর্বোচ্চ নাগরিকসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।”

এ সময় তিনি জানান, নগরীর শাহজালাল সেতুর পাশে থাকা খালি জায়গায় একটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে ওই এলাকার শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে এবং অব্যবহৃত জায়গাটি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

এ সময় সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন