‘হিজবুল্লাহর কাছে হেরে গেছে ইসরাইল’
- আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ
ইসরাইল উত্তর অঞ্চলের যুদ্ধে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর কাছে হেরে গেছে বলে স্বীকার করেছেন ইসরাইলের সাবেক যুদ্ধমন্ত্রী এভিগডর লিবারম্যান।
শুক্রবার সামাজিক মাধ্যম এক্স পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরাইলে বসতি স্থাপনকারীদের ওপর গত সপ্তাহে শত শত রকেট এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হিজবুল্লাহর এ হুমকি মোকাবিলা করতে না পারা ক্ষমতাসীন মন্ত্রিসভার অক্ষমতার প্রমাণ।
সাবেক এ যুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে বিমান বাহিনীর কার্যক্রম হিজবুল্লাহর হামলা থামাতে পারেনি। উত্তর ইসরাইলের বাসিন্দাদের প্রতিদিন বোমা আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
লিবারম্যান বলেন, চলমান সংঘাতের ফলে উত্তর ইসরাইল থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া হাজার হাজার ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী জানেনা যে, এ বছর স্কুল চালু হবে কিনা। এছাড়া ওই অঞ্চল থেকে অনেক কারখানা ও কর্মশালা অন্য এলাকায় স্থানান্তরিত হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান ইসরাইলি প্রশাসনের জন্য উত্তরাঞ্চলের চ্যালেঞ্জগুলো কঠিন। ফলে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।
এদিকে ইসরাইলের চ্যানেল-টুয়েলভ পরিচালিত সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা যায়, শতকরা ৭৫ ভাগ বসতি স্থাপনকারী বিশ্বাস করে যে, উত্তর ইসরাইলে নেতানিয়াহু সরকারের যুদ্ধ পরিচালনা ছিল খুবই দুর্বল। সূত্র: ইরনা
গাজায় নিহত ৩ ইসরাইলি সেনার ছবি প্রকাশ :

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে আরও তিন সেনা নিহত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। সেই সঙ্গে তাদের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একদিন আগে গাজায় দুটি পৃথক ঘটনায় তাদের তিন সেনা নিহত হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, গাজা শহরের জেইতুনের আশেপাশে একটি বিল্ডিংয়ে বাইরের অংশে লাগানো বিস্ফোরক ডিভাইসের আঘাতে তাদের দুই সেনা নিহত হয়। অপর সৈন্যটি নেটজারিম করিডোরে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মতে, গত বছরের মাঝ অক্টোবর থেকে গাজায় স্থল অভিযান শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত তাদের মোট ৩৩৮ জন সেনা নিহত হয়েছে।
তবে হামাস বলছে, এ সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ ইসরাইলি মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার বিষয়ে ক্রমবর্ধমান জন-অসন্তোষ এবং গাজায় এখনও বন্দি থাকা কয়েক ডজন ইহুদিকে মুক্তি দিতে ব্যর্থতার কারণে ইসরাইলি সরকার তাদের সামরিক হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করে যাচ্ছে।
বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য এবং গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার দাবিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরে ইসরাইলে বিক্ষোভ চলছে।
নেতানিয়াহু অবশ্য যুদ্ধেই অনড়। সমালোচকরা বলছেন, তিনি দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছেন।
২০১৯ সালে দায়ের করা মামলায় দুর্নীতি, জালিয়াতি, ঘুষ এবং বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে নেতানিয়াহু এখন বিচারের মুখোমুখি। ঘুষের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে নেতানিয়াহুর ১০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল




























