সিলেটে ছাত্ররা নয়, সন্ত্রাসীগোষ্ঠী নাশকতা করেছে: এসএমপি কমিশনার
- আপডেট সময় : ১২:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে সিলেটে যে নাশকতা ও সহিংসতা হয়েছে তার সাথে শিক্ষার্থীরা জড়িত ছিল না। ছাত্রদের সাথে মিশে তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ বিভিন্ন সন্ত্রাসী দল ও গোষ্ঠী এই নাশকতা চালিয়েছে। এদেরকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না, কঠোর হস্তে তাদেরকে দমন করা হবে। কারফিউয়ের চতুর্থদিন নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেছেন
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার জাকির হোসেন খান।
বর্তমান পরিস্থিতি গেল আগের তুলনায় অনেক ভাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতি থেকে শনিবার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অনেক তান্ডব চালিয়েছে। তারা পাঠানটুলা পুলিশ বক্সে আগুন দিয়েছে। রেজিস্ট্রারি ও বিদ্যুৎ অফিস ভাঙচুর করেছে। এসব নাশকতায় ছাত্ররা জড়িত ছিল না। শুরুতে আন্দোলনে ছাত্ররা ছিল। কিন্তু কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার পর তারা চলে গেছে। এরপর তৃতীয়পক্ষ অর্থাৎ বিভিন্ন দলের সন্ত্রাসী ও গোষ্ঠী নাশকতা করেছে। এসব ঘটনায় ১০টি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাশকতাকারী কেউ ছাড় পাবে না, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। সংঘর্ষে ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, সন্ত্রাসীরা পুলিশ সদস্যের উপর হামলা করেছে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আহত পুলিশ সদস্যের কেউ কেউ চিকিৎসা নিয়ে বাসায় আছেন। হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন আছেন কয়েকজন। দক্ষিণ সুরমায় পুলিশের একজন এএসআইকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে তার মাথায় হেলমেট না থাকলে হয়তো মেরেই ফেলা হতো। তার পা ভেঙে গেছে।
সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক এটিএম তুরাব নিহত হওয়া প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন খান বলেন, ‘কী কারণে কিভাবে সাংবাদিক তুরাব নিহত হয়েছেন তার তদন্ত চলছে। পোস্টমর্টেম হয়েছে। পোস্টমর্টেম ও তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।























