ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু হবিগঞ্জ বাহুবলে ফুলতলী ছাহেব কিবলা (রহ.)-এর স্মরণে ক্বিরাত ও তাজবিদ প্রতিযোগিতা সিলেট মদিনা মার্কেটে বিএসটিআই-এর অভিযান,পরিমাপ যন্ত্রের ভেরিফিকেশন সিলেটে অপরাধ দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান , ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৬৬ সিলেটে ৭৬ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নে অংশজনের সাথে সিলেট হাইওয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও ইফতার  সিলেটে নবাগত পুলিশ সুপার  ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক যোগদান পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযান- ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার মালামাল আটক সিলেট গোয়াইনঘাটে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ আটক-৮

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি এবং মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা। সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

আপডেট সময় : ১০:১৭:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি এবং মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা। সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।