ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে আন্তর্জাতিক দূ র্নী তি বিরোধী দিবসের কর্মসূচি সফল আহবান সিলেটে ভাইরাসে আক্রান্ত ৪৯৭ জন সিলেটে ইসলামী ৮ দলের সমাবেশ বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ১১ নারী, কে কোন আসনে ? আরিফুল হক চৌধুরীকে বয়কট করে মশাল মিছিল সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে বিদেশী সিগারেট ও ৬ আইফোন জব্দ সিলেটের কাষ্টঘর সুইপার কলোনী অভিযান, গ্রেপ্তার ৫ এসএমপি পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের শাহপরান (রহঃ) থানা বার্ষিক পরিদর্শন লড়াই করেও হেরে গেল বাংলাদেশ কার্ড ছাপানোর পরও বিয়ে ভেঙেছিল সালমানের, এখন কোথায় সেই পাত্রী?

সিলেটে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, ধেয়ে আসছে বন্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :

নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এখন অবস্থান করেছে সিলেট অঞ্চলে। স্থল নিম্নচাপের ফলে সিলেটে গতকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। একই সাথে ঝড়ো হাওয়া বইছে। সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় ২৪৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে আগামী দুই দিন বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। পরবর্তী সময়ে সিলেট অঞ্চল দিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল বিলীন হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ভারতের মেঘালয় পর্বতের চেরাপুঞ্জি এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার ফলে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর জন্য বন্যা আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিলেটের ওপর দিয়ে বয়ে চলা নদ-নদীর পানি ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে মেঘালয় রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। গত দুইদিনে মেঘালয় পর্বতের চেরাপুঞ্জি এলাকায় ১ হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের আশংকা করা হচ্ছে। যার কারণে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক ও সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নদীগুলোতে পাহাড়ি ঢল নেমে আসার প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।

জানা যায়, মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পর্বত এলাকার সোহরা নামক স্থানে সোমবার (২৭ মে) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ৯ টা পর্যন্ত ৫৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মেঘালয় রাজ্যের অন্যান্য স্থানে ২০০ থেকে ৪০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টার পর থেকে আগামীকাল বুধবার সকাল ৯ টার মধ্যে আরও ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মেঘালয় রাজ্যের এই বৃষ্টিপাতের পুরোটাই সিরেট বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীগুলোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিলিত হয়। সিলেট  বিভাগের নদ-নদী গুলিতে পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা রয়েছে। একই সাথে সিলেটর  বিভিন্ন নদীগুলোর পানি বেড়ে এই অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, ধেয়ে আসছে বন্যা

আপডেট সময় : ১২:০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :

নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এখন অবস্থান করেছে সিলেট অঞ্চলে। স্থল নিম্নচাপের ফলে সিলেটে গতকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। একই সাথে ঝড়ো হাওয়া বইছে। সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় ২৪৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে আগামী দুই দিন বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। পরবর্তী সময়ে সিলেট অঞ্চল দিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল বিলীন হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ভারতের মেঘালয় পর্বতের চেরাপুঞ্জি এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার ফলে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর জন্য বন্যা আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিলেটের ওপর দিয়ে বয়ে চলা নদ-নদীর পানি ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে মেঘালয় রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। গত দুইদিনে মেঘালয় পর্বতের চেরাপুঞ্জি এলাকায় ১ হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের আশংকা করা হচ্ছে। যার কারণে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক ও সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নদীগুলোতে পাহাড়ি ঢল নেমে আসার প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।

জানা যায়, মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পর্বত এলাকার সোহরা নামক স্থানে সোমবার (২৭ মে) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ৯ টা পর্যন্ত ৫৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মেঘালয় রাজ্যের অন্যান্য স্থানে ২০০ থেকে ৪০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টার পর থেকে আগামীকাল বুধবার সকাল ৯ টার মধ্যে আরও ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মেঘালয় রাজ্যের এই বৃষ্টিপাতের পুরোটাই সিরেট বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীগুলোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিলিত হয়। সিলেট  বিভাগের নদ-নদী গুলিতে পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা রয়েছে। একই সাথে সিলেটর  বিভিন্ন নদীগুলোর পানি বেড়ে এই অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।