ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আমাদের পুলিশ এখন আমেরিকান স্টাইলে আন্দোলন দমাতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

  ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের পুলিশ এখন আমেরিকান স্টাইলে আন্দোলন দমানোর ব্যবস্থা নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফর নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে- এ ব্যাপারে আপনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিচার দাবির কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না? দুদিন আগে আপনি বলেছেন, অতি বাম-অতি ডান মিলে সরকারের বিরুদ্ধে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে। আপনি জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের মানুষ তখন শঙ্কিত; সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের কাছে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আপনার বার্তা কী?—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলন করে যাচ্ছে কেউ ফিউগেটিভ হয়ে বিদেশে বসে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, সেই ডিজিটাল বাংলাদেশের বদৌলতে প্রতিদিন অনলাইনে আন্দোলন-সংগ্রাম করেই যাচ্ছে। নির্দেশ দিয়েই যাচ্ছে। সেখানেও প্রশ্ন আছে। যারা আন্দোলন করার করুন, আমরা তো বাধা দিচ্ছি না!

‘অবশ্য আমার মনে হয়, আমাদের একটু নতুন পথ নিয়ে নেওয়ার একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আমরা যদি আমাদের পুলিশকে বলে দেই, আমেরিকার পুলিশ যেভাবে আন্দোলন থামায়, সেটা অনুসরণ করতে পারে। সেটা করতে পারি। আমার মনে হয়, আমাদের পুলিশ আমেরিকান পুলিশকে অনুসরণ করতে। কারণ আমরা তো পুলিশকে ধৈর্য ধরতে বলেছিলাম। সেই ২৮ অক্টোবর ২০২৩ সালে আমি তো পুলিশকে বলেছিলাম ধৈর্য ধরতে। পুলিশ ধৈর্য ধরতে গিয়ে পিটুনির শিকার হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের হাসপাতালে আক্রমণ, গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। কাজেই আমার মনে হয়, এখন আমাদের পুলিশ কিন্তু আমেরিকান স্টাইলে আন্দোলন দমানোর ব্যবস্থাটা নিতে পারে। আমার মনে হয়, সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে আমাকে সমর্থন করবেন।’বাংলাদেশি হত্যার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘প্রতিবাদ শুধু এখানেই না, আমেরিকায় বসেও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধ বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিভিন্ন স্কুল, বিভিন্ন শপিং মল, রেস্টুরেন্টে অনবরত গুলি হচ্ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে। এমন কোনো দিন নাই বোধ হয়, আমেরিকায় মানুষ না মারছে। তাদের সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। তাদের দেশে এই যে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। গুলি করে একেবারে সাধারণ নিরীহ মানুষগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে। এটাও তো তাদের দেখা উচিত। নিজের ঘর আগে সামলানো উচিত। এটা প্রতি নিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করা।’এর আগেও আমাদের বাংলাদেশি কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি এবং বিচার করে তারা আমাকে জানিয়েছে। আমাদের যেটুকু করার সেটা আমরা করে যাচ্ছি,’ যোগ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আমাদের পুলিশ এখন আমেরিকান স্টাইলে আন্দোলন দমাতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

  ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের পুলিশ এখন আমেরিকান স্টাইলে আন্দোলন দমানোর ব্যবস্থা নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফর নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে- এ ব্যাপারে আপনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিচার দাবির কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না? দুদিন আগে আপনি বলেছেন, অতি বাম-অতি ডান মিলে সরকারের বিরুদ্ধে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে। আপনি জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের মানুষ তখন শঙ্কিত; সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের কাছে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আপনার বার্তা কী?—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলন করে যাচ্ছে কেউ ফিউগেটিভ হয়ে বিদেশে বসে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, সেই ডিজিটাল বাংলাদেশের বদৌলতে প্রতিদিন অনলাইনে আন্দোলন-সংগ্রাম করেই যাচ্ছে। নির্দেশ দিয়েই যাচ্ছে। সেখানেও প্রশ্ন আছে। যারা আন্দোলন করার করুন, আমরা তো বাধা দিচ্ছি না!

‘অবশ্য আমার মনে হয়, আমাদের একটু নতুন পথ নিয়ে নেওয়ার একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আমরা যদি আমাদের পুলিশকে বলে দেই, আমেরিকার পুলিশ যেভাবে আন্দোলন থামায়, সেটা অনুসরণ করতে পারে। সেটা করতে পারি। আমার মনে হয়, আমাদের পুলিশ আমেরিকান পুলিশকে অনুসরণ করতে। কারণ আমরা তো পুলিশকে ধৈর্য ধরতে বলেছিলাম। সেই ২৮ অক্টোবর ২০২৩ সালে আমি তো পুলিশকে বলেছিলাম ধৈর্য ধরতে। পুলিশ ধৈর্য ধরতে গিয়ে পিটুনির শিকার হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের হাসপাতালে আক্রমণ, গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। কাজেই আমার মনে হয়, এখন আমাদের পুলিশ কিন্তু আমেরিকান স্টাইলে আন্দোলন দমানোর ব্যবস্থাটা নিতে পারে। আমার মনে হয়, সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে আমাকে সমর্থন করবেন।’বাংলাদেশি হত্যার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘প্রতিবাদ শুধু এখানেই না, আমেরিকায় বসেও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধ বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিভিন্ন স্কুল, বিভিন্ন শপিং মল, রেস্টুরেন্টে অনবরত গুলি হচ্ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে। এমন কোনো দিন নাই বোধ হয়, আমেরিকায় মানুষ না মারছে। তাদের সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। তাদের দেশে এই যে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। গুলি করে একেবারে সাধারণ নিরীহ মানুষগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে। এটাও তো তাদের দেখা উচিত। নিজের ঘর আগে সামলানো উচিত। এটা প্রতি নিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করা।’এর আগেও আমাদের বাংলাদেশি কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি এবং বিচার করে তারা আমাকে জানিয়েছে। আমাদের যেটুকু করার সেটা আমরা করে যাচ্ছি,’ যোগ করেন তিনি।